বিমানবন্দরেরসংবাদ

অনলাইনে-পাসপোর্টের-আবেদন করার নিয়ম razuaman.com

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় বন্ধুরা আপনাদের সামনে আজকে একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম । আশা করি আপনারা সবাই আমার পোস্টটি পড়বেন । মনোযোগ সহকারে পোস্টটি পড়লে হয়তো আপনার কাজে লাগবে । আপনারা যারা চিন্তা  করতেছেন বিদেশ যাওয়ার জন্য  সেই বন্ধুদের আমি একটা কথা বলতে চাই  কথাটা হচ্ছি আপনারা যদি বিদেশ যাওয়ার চিন্তা-ভাবনা করে থাকেন তাহলে আমাদের এই পোস্টটি পড়বেন।  কিভাবে পাসপোর্ট করা যায় খুব সহজেই পাসপোর্ট করার নিয়ম আমরা এই সাইটে তুলে ধরেছি । আমরা যদি বিদেশ যাই অনেক  দালালের হাতে পড়ি তারা আমাদের অনেক হয়রানি করে তাই আপনারা দালালরা হাত থেকে বাঁচার জন্য নিজেই ভিসা অফিসে যোগাযোগ করে নিজেই সহজে যাইতে পারবেন  নিচে পড়ো  বিস্তারিত তথ্য ।

আমরা সবাই জানি দেশের বাইরে যেতে হলে পাসপোর্ট করতে হবে।

কিন্তু পাসপোর্ট করার নিয়ম না জানলে পাসপোর্ট করাটা বেশ ঝামেলার বিষয়। অনেক সময় দালালের ফাদে পরে দ্বীগুন টাকায় পাসপোর্ট করতে হয়। এখন সময়ে বদলিয়েছে। প্রযুক্তির উন্নতির ফলে এখন আর আগের মতো ঝামেলায় পরতে হয় না। এখন অনলাইনের মাধ্যমেই ঘরে বসে পাসপোর্ট তৈরির প্রাথমিক সব কাজ করে ফেলা যায়। সময় বাচে, টাকা বাচে, দালালের খরচ বাচে। আর নিজের পাসপোর্টের তথ্য নিজে পুরোন করার জন্য ভুল হওয়ারও তেমন সুযোগ থাকে না। চলুন তাহলে শিখে নেই পাসপোর্ট করার নিয়ম । আজ আপনাদের A-Z সহযোগীতা করার চেষ্টা করবো।

অনলাইনে পাসপোর্ট করার নিয়ম

১ম ধাপ :অনলাইনে পাসপোর্ট করতে হলে প্রথমে সোনালী ব্যাংক বা নির্ধারিত ব্যাংকে টাকা জমা দিতে হবে। কেননা অনলাইনে ফর্ম পূরণ করার সময় টাকা জমা দেওয়ার তারিখ এবং জমা দানের রিসিটের নম্বর উল্লেখ করার প্রয়োজন হয়। তাই ফর্ম পূরণের আগে টাকা জমা দিতে হবে।রেগুলার ফি ৩০০০ টাকা এবং জরুরি পাসপোর্ট করতে হলে তার ফি ৬০০০ টাকা। রেগুলার ফিতে পাসপোর্ট পেতে সময় লাগবে ১ মাস। জরুরিভিত্তিতে করতে চাইল ১৫ দিনের মত সময় লাগবে।

যেখানে টাকা জমা দিবেন:
বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণাধীন বিভাগীয় ও আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসসমূহের আওতায় সোনালী ব্যাংকের নির্ধারিত শাখাসমূহের তালিকা:
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, আগারগাঁও, ঢাকা – আগারগাঁও, মহাখালী, কলেজগেট, মোহাম্মদপুর, আওলাদ হোসেন মার্কেট, বিবি এভিনিউ, দিলকুশা, মগবাজার, সেগুনবাগিচা, মালিবাগ, মিরপুর ১২ শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, মনসুরাবাদ, চট্টগ্রাম – আগ্রাবাদ কর্পোরেট, পাঁচলাইশ ও মিঠাগলী শাখা।

বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, সিলেট – সিলেট কর্পোরেট, স্টেশন রোড, মহাজন পট্টি শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, রাজশাহী – রাজশাহী কর্পোরেট শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, রংপুর – কর্পোরেট শাখা ও কাঁচারী বাজার শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, খুলনা – খুলনা কর্পোরেট শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, বরিশাল – বরিশাল কর্পোরেট শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, যাত্রাবাড়ি, ঢাকা – সদরঘাট, খিলগাঁও ও যাত্রাবাড়ি শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, উত্তরা, ঢাকা – উত্তরা শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, চাঁদগাঁও, চট্টগ্রাম – কোটহিল, সদরঘাট, বহদ্দার হাট, পাঁচলাইশ শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, কুমিল্লা – স্টেশন রোড, কুমিল্লা কর্পোরেট শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, নোয়াখালী – মাইজদী কোর্ট শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, ব্রাহ্মণবাড়িয়া – ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, চাঁদপুর – চাঁদপুর প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, হবিগঞ্জ – হবিগঞ্জ প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, মৌলভীবাজার – মৌলভীবাজার প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, কক্সবাজার – কক্সবাজার প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, রাঙামাটি – রাঙামাটি প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, বগুড়া – বগুড়া প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, পাবনা – পাবনা প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, সিরাজগঞ্জ – সিরাজগঞ্জ প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, কিশোরগঞ্জ – কিশোরগঞ্জ প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, টাঙ্গাইল – টাঙ্গাইল প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, ময়মনসিংহ – ময়মনসিংহ প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, দিনাজপুর – দিনাজপুর প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, নরসিংদী – নরসিংদী প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, ফরিদপুর – ফরিদপুর প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, গোপালগঞ্জ – গোপালগঞ্জ প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, কুষ্টিয়া – কুষ্টিয়া প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, যশোর – যশোর প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, পটুয়াখালী – পটুয়াখালী প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, মুন্সীগঞ্জ – মুন্সীগঞ্জ প্রধান শাখা।
বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, ফেনী – ফেনী প্রধান শাখা।

ভিসা সেল, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ঢাকা – ভিসা সেল, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর শাখা, ঢাকা।
ভিসা সেল, শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম – ভিসা সেল, শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর শাখা, চট্টগ্রাম।

সোনালী ব্যাংক ছাড়াও আরো পাঁচটি ব্যাংকে পাসপোর্টের টাকা টাকা জমা দেয়া যাবে। এ পাঁচটি ব্যাংক হলো ঢাকা ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, প্রিমিয়ার ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক ও ট্রাস্ট ব্যাংক। নতুন পাঁচটি ব্যাংকের যেকোনো শাখায় অর্থ জমা দেয়া যাবে। এসব ব্যাংকে অনলাইনে ক্রেডিট কার্ড ও মোবাইলের মাধ্যমেও পাসপোর্টের ফি পরিশোধ করা যাবে।

বিদ্যমান পাসপোর্টে সন্তানের নাম সংযোজনের আবদেন:

এ ক্ষেত্রে আবেদনকারীর দুই কপি আবেদন জমা দিতে হবে। আবেদনপত্রের সাথে বাবা/মায়ের ছবি সত্যায়িত করে সংযুক্ত করতে হবে। প্রতিটি সন্তানের জন্য অতিরিক্ত দুই কপি করে ষ্ট্যাম্প সাইজের ছবি জমা দিতে হবে। জরুরী আন্তর্জাতিক পাসপোর্টের জন্য ৫০০ টাকা এবং বিশেষ পাসপোর্টের জন্য ৩০০ টাকা ফি প্রদান করতে হয়। পুলিশ প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর পাসপোর্ট পাওয়া যায়।
আর সাধারণ আন্তর্জাতিক পাসপোর্টের ক্ষেত্রে ৩০০ টাকা এবং বিশেষ পাসপোর্টের জন্য ২০০ টাকা ফি প্রদান করতে হয়। পুলিশ প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর পাসপোর্ট পাওয়া যায়।

১০ বছর উত্তীর্ণ এর ক্ষেত্রে পাসপোর্টের জন্য আবেদন:
আবেদনপত্রের সাথে এক কপি ছবি জমা দিতে হবে। জরুরী পাসপোর্ট প্রয়োজন হলে আন্তর্জাতিক পাসপোর্টের জন্য ৩,০০০ টাকা এবং বিশেষ পাসপোর্টের জন্য ২,০০০ টাকা ফি প্রদান করতে হয়। আবেদনপত্র জমা হওয়ার ৭ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট পাওয়া যায়।
আর সাধারণ হলে আন্তর্জাতিক পাসপোর্টের জন্য ২,০০০ টাকা এবং বিশেষ পাসপোর্টের জন্য ১,০০০ টাকা ফি প্রদান করতে হয়। আবেদনপত্র জমা হওয়ার ১০ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট পাওয়া যায়।
হারানো পাসপোর্টের বিপরীতে পাসপোর্টের জন্য আবেদন:


এ ক্ষেত্রে জিডির কপিসহ আবদেন করতে হবে। জরুরী প্রয়োজন হলে আন্তর্জাতিক পাসপোর্টের জন্য ৩,০০০ টাকা এবং বিশেষ পাসপোর্টের জন্য ২,০০০ টাকা ফি প্রদান করতে হয়। আবেদনপত্র জমা হওয়ার ৭ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট পাওয়া যায়।
সাধারণ পাসপোর্টের জন্য আন্তর্জাতিক হলে ২,০০০ টাকা এবং বিশেষ পাসপোর্ট হলে ১,০০০ টাকা ফি প্রদান করতে হয়। আবেদনপত্র জমা হওয়ার ১০ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট পাওয়া যায়।
পুরাতন রেকর্ড যাচাই করে সঠিক পাওয়া গেলে হারানো পাসপোর্টের বিপরীতে নতুন পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়।
পাতা শেষ/ ছবির মিল নেই/পাতা নষ্ট হবার কারণে পাসপোর্টের জন্য আবেদন:
এক কপি ছবি আবেদনপত্রের সাথে জমা দিতে হবে। জরুরী পাসপোর্ট এর জন্য আন্তর্জাতিক ৩,০০০ টাকা এবং বিশেষ ২,০০০ টাকা ফি প্রদান করতে হয়। আবেদনপত্র জমা হওয়ার ৭ (সাত) দিনের মধ্যে পাসপোর্ট পাওয়া যায়। পুরাতন রেকর্ড যাচাই করে সঠিক পেলে অন্যথায় তদন্তে প্রেরণ করতে হবে। রিপোর্ট প্রাপ্তির পর পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়।

আর সাধারণ হলে আন্তর্জাতিক পাসপোর্ট এর জন্য ২,০০০ টাকা এবং বিশেষ পাসপোর্টের জন্য ১,০০০ টাকা ফি প্রদান করতে হয়। আবেদনপত্র জমা হওয়ার ১০ (দশ) দিনের মধ্যে পাসপোর্ট পাওয়া যাবে। পুরাতন রেকর্ড যাচাই করে সঠিক পেলে অন্যথায় তদন্তে প্রেরণ করতে হবে। রিপোর্ট প্রাপ্তির পর পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়।
সরকারী, আধা সরকারী, স্বায়ত্বশাষিত সংস্থা, কর্পোরেশনের কর্মকর্তা/ কর্মচারী এবং তাঁদের ১৫ বছর বয়সের নীচের সন্তানদের পাসপোর্টের আবেদন:
মন্ত্রণালয়/বিভাগ/ অধিদপ্তর/ দপ্তর প্রধানের নিকট হইতে নির্ধারিত ফরমে এনওসি আবেদন পত্রের সাথে জমা দিতে হবে। আবেদনপত্র জমা হওয়ার ৭ (সাত) দিনের মধ্যে পাসপোর্ট পাওয়া যাবে। সাধারণ আন্তর্জাতিক পাসপোর্টের জন্য ২,০০০ টাকা এবং বিশেষ পাসপোর্টের জন্য ১,০০০ টাকা ফি প্রদান করতে হয়।
সরকারী, আধা সরকারী, স্বায়ত্বশাষিত সংস্থা, কর্পোরেশনের কর্মকর্তা/ কর্মচারী এবং তাঁদের ১৫ বছরের অধিক বয়সের সন্তানদের পাসপোর্টের আবেদন:


আবেদনপত্রের সাথে কেবলমাত্র নির্ভরশীল সন্তানদের ক্ষেত্রে বাবা/মায়ের প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে।
জরুরী আন্তর্জাতিক পাসপোর্টের জন্য ৩,০০০ টাকা এবং বিশেষ পাসপোর্টের জন্য ২,০০০ টাকা ফি প্রদান করতে হয়। ১১ দিন অতিক্রান্ত হলে পুলিশ প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর ১২ দিন থেকে ২১ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট পাওয়া যাবে। অন্যথায় ২১ দিন পর।
আর সাধারণ আন্তর্জাতিক পাসপোর্টের জন্য ২,০০০ টাকা এবং বিশেষ পাসপোর্টের জন্য ১,০০০ টাকা ফি প্রদান করতে হয়। ২১ দিন অতিক্রান্ত হলে পুলিশ প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর ৩০ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট পাওয়া যাবে। অন্যথায় ৩০ দিন পর।
শিক্ষা সফরে বিদেশ গমণ ইচ্ছুক ছাত্র/ ছাত্রীদের পাসপোর্টের জন্য আবেদন:


আবেদনপত্র অবশ্যই দলগত ভাবে হতে হবে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের প্রত্যয়নপত্র সংযুক্ত থাকতে হবে। সাধারণ আন্তর্জাতিক পাসপোর্টের জন্য ২,০০০ টাকা এবং বিশেষ পাসপোর্টের জন্য ১,০০০ টাকা ফি প্রদান করতে হয়। পুলিশ প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়।
অবসরপ্রাপ্ত সরকারী কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের ক্ষেত্রে:
পেনশন অর্ডার কিংবা পেনশন বহির ফটোকপি সংযুক্ত করতে হবে। সাধারণ আন্তর্জাতিক পাসপোর্টের জন্য ২,০০০ টাকা এবং বিশেষ পাসপোর্টের জন্য ১,০০০ টাকা ফি প্রদান করতে হয়। আবেদনপত্র জমা দেয়ার ৭ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট ইস্যু করা হবে।
সেনা/নৌ/ বিমান বাহিনীর কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের ক্ষেত্রে:
আর্মি গোয়েন্দা সংস্থার সুপারিশ থাকতে হবে। সাধারণ আন্তর্জাতিক পাসপোর্টের জন্য ২,০০০ টাকা এবং বিশেষ পাসপোর্টের জন্য ১,০০০ টাকা ফি প্রদান করতে হয়। আবেদনপত্র জমা দেয়ার ৭ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়।

নবায়ন:

নতুন পাসপোর্টের জন্য নির্ধারিত ফি এবং নবায়ন ফি উভয়ই প্রদান করতে হবে।
জরুরী আন্তর্জাতিক পাসপোর্টের জন্য ২,৫০০ টাকা এবং বিশেষ পাসপোর্টের জন্য ১,৫০০ টাকা ফি প্রদান করতে হবে। আবেদনপত্র জমা দেয়ার ৫ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট প্রদান করা হয়। কোন পাসপোর্টের নবায়ন/সংযোজনের ক্ষেত্রে জাল সনাক্ত হলে উক্ত পাসপোর্ট বাতিল করে নতুন পাসপোর্ট ইস্যু করা হয় (নতুন পাসপোর্ট ও নবায়ন উভয় ফি গ্রহণ সাপেক্ষে)।
সাধারণ আন্তর্জাতিক পাসপোর্টের জন্য ১,৫০০ টাকা এবং বিশেষ পাসপোর্টের জন্য ১,০০০ টাকা ফি প্রদান করতে হয়। আবেদনপত্র জমা দেয়ার ১০ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট প্রদান করা হয়। কোন পাসপোর্টের নবায়ন/সংযোজনের ক্ষেত্রে জাল সনাক্ত হলে উক্ত পাসপোর্ট বাতিল করে নতুন পাসপোর্ট ইস্যু করা হয় (নতুন পাসপোর্ট ও নবায়ন উভয় ফি গ্রহণ সাপেক্ষে)।

সংযোজন (প্রমাণ পত্রসহ):

নতুন পাসপোর্টের জন্য নির্ধারিত ফি এবং সংযোজন ফি উভয়ই প্রদান করতে হবে।
জরুরী আন্তর্জাতিক পাসপোর্টের জন্য ৫০০ টাকা এবং বিশেষ পাসপোর্টের জন্য ৩০০ টাকা ফি প্রদান করতে হয়। আবেদনপত্র জমা দেয়ার ৫ (পাঁচ) দিনের মধ্যে পাসপোর্ট প্রদান করা হয়। কোন পাসপোর্টের নবায়ন/সংযোজনের ক্ষেত্রে জাল সনাক্ত হলে উক্ত পাসপোর্ট বাতিল করে নতুন পাসপোর্ট ইস্যু করা হয় (নতুন পাসপোর্ট ও নবায়ন উভয় ফি গ্রহণ সাপেক্ষে)।
সাধারণ আন্তর্জাতিক পাসপোর্টের জন্য ৩০০ টাকা এবং বিশেষ পাসপোর্টের জন্য ২০০ টাকা ফি প্রদান করতে হয়। আবেদনপত্র জমা দেয়ার ১০ (দশ) দিনের মধ্যে পাসপোর্ট প্রদান করা হয়। কোন পাসপোর্টের নবায়ন/সংযোজনের ক্ষেত্রে জাল সনাক্ত হলে উক্ত পাসপোর্ট বাতিল করে নতুন পাসপোর্ট ইস্যু করা হয় (নতুন পাসপোর্ট ও নবায়ন উভয় ফি গ্রহণ সাপেক্ষে)।

সংশোধন ও সংযোজন:

বয়সঃ– বয়স সংশোধনের ক্ষেত্র এস এস সি কিংবা সমমানের পরীক্ষার সনদ অথবা অর্থোপেডিক ডাক্তারের সনদ অথবা জন্ম নিবন্ধিবরণ সনদপত্র আবশ্যক হবে।
নামঃ– নাম সংশোধনের ক্ষেত্র এস এস সি কিংবা সমমানের পরীক্ষার সনদ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতের হলফনামা (এফিডেভিট) এবং পত্রিকার বিজ্ঞপ্তি আবশ্যক হবে।

পেশাঃ– পরিবর্তিত পেশার স্বপক্ষে সনদ।

ঠিকানাঃ– স্থায়ী/বর্তমান ঠিকানা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ভোটার আইডি কার্ড অথবা জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা বাড়ির দলিল আবশ্যক হবে।
সন্তানের নাম কর্তনঃ– আবেদনপত্রের ‘খ’ এর ৮নং কলাম পুরণ করতে হবে।
সন্তান সংযোজনঃ সন্তানের জন্ম সনদ দিতে হবে । সন্তানের নাম সংযোজনের ক্ষেত্রে পুলিশ /তদন্ত প্রতিবেদন না গেলে পাসপোর্ট পাওয়া সম্ভব হবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published.