Google AdSense

অনলাইন ইনকাম google Ads গুগল এডসেন্স একাউন্ট খোলার নিয়ম! google Ads

অনলাইন ইনকাম google Ads

গুগল এডসেন্স একাউন্ট খোলার নিয়ম!
google Ads

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম, আসসালামু আলাইকুম রহমতুল্লাহ । সম্মানিত ভিউয়ার্স,কেমন আছেন আপনারা যারা ব্লগিং করেন তারা নিশ্চয়ই সফল হওয়ার জন্য অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করেছেন। আর প্রতিটি ব্লগারের স্বপ্ন থাকে যে আমি  যেন নিজ অ্যাকাউন্ট থেকে ইনকাম করতে পারি।

অনলাইনে ইনকামের ক্ষেত্রে আপনাকে নিশ্চয়ই ক্রিয়েটিভিটির মাধ্যমে জায়গা করে নিতে হবে।

যারা নতুন ব্লগিং করেন তারা নিশ্চয়ই অ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য কনটেন্ট গুলো মানসম্পন্ন করে লেখার চেষ্টা করেন। তারা চায় আমি যেন এডসেন্স থেকে আয় করতে পারি।

প্রতিনিয়ত সবকিছুরে আপডেট হয়, তাই দিনের সাথে তাল মিলিয়ে গুগল এডসেন্স করার নিয়ম গুলো পরিবর্তন হয়েছে।

ব্লগ একাউন্ট তো আপনারা অনেকেই ক্রিয়েট করছেন এবং সফলতার সাথে কাজ  করে যাচ্ছেন। তো অনেকেই জানে না যে, কিভাবে গুগল এডসেন্স এর আবেদন করতে হয়।

 সো ভিউয়ার্স,আজকের আলোচনার মূল বিষয়গুলো হচ্ছে আপনারা কিভাবে গুগল এডসেন্স এর আবেদন করবেন।

কাজেই আপনারা নিচের নিবন্ধনটি স্ক্রিপ্ট না করে মনোযোগ সহকারে পড়বেন। আমি আশাবাদী আমার নিবন্ধনটি পড়ে আপনারা নিশ্চয়ই উপকৃত হবেন (ইনশাল্লাহ)।

🌹 গুগল এডসেন্স এর কাজ কি?

হ্যালো ভিউয়ার্স, আপনারা নিশ্চয়ই ইতিমধ্যে গুগল এডসেন্স কথাটির সাথে পরিচিত হয়েছেন। গুগল এডসেন্স এর কাজ কি? সত্যি গুগল এডসেন্স এর পর গুগল থেকে কি টাকা ইনকাম করা যায়। এরকম হাজারো প্রশ্ন আপনার মনে জমাকৃত। আর আমি চেষ্টা করব সব প্রশ্নের উত্তর স্টেপ বাই স্টেপ বুঝিয়ে দেওয়ার।

আপনারা যদি আপনাদের অ্যাকাউন্টটিতে মানসম্পন্ন পোস্ট লিখেন। আর যদি সেই পোস্ট গুলো মানুষের খোরাকের উপযোগী হয়।

আর তখন গুগোল আপনাকে প্রদান করবেন গুগলের অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে ইনকাম করার একটি পন্থা।

আপনার নিশ্চয়ই ব্লগিং সাইট রয়েছে। আর সেখান থেকে আপনারা কিভাবে টাকা ইনকাম করবেন।🌻🏵️❤️❤️❤️❤️

গুগল আপনাকে আপনার পারিশ্রমিক দিয়ে দিবেন। এর জন্য আপনাকে গুগোল অ্যাডসেন্সে আবেদন করতে হবে। আর যদি আপনার ব্লগিং সাইটটি গুগোল পছন্দ করেন তাহলে আপনার গুগল এডসেন্স আবেদন গ্রান্টেড হবে।🌿🌺🍁🌳🍂🌹🌻🏵️❤️🦋

গুগল এডসেন্স একাউন্ট খুলতে প্রয়োজনীয় বিষয়বলি

গুগল এডসেন্স একাউন্ট ক্রিয়েট করতে আপনাকে সঠিক তথ্য গুলো প্রদান করতে হবে। আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে আপনার নাম ঠিকানা উপর। 🏵️💮🌻🌹🌼🍀☘️💐🌸🌷🌴🌴🥀

কারণ পরবর্তীতে তথ্যগুলো সঠিক দেওয়া না হলে, আপনাকে ভেরিফিকেশনের সমস্যা ফেস করতে হবে।

গুগল এডসেন্স অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করতে যা যা ইনফর্মেশন বা তথ্য প্রয়োজন। তা নিম্নে আলোচনা করা হলোঃ

ন্যাশনাল আইডি কার্ডফ্রী ইমেইল একাউন্টব্লগ সাইট বা ইউটিউব চ্যানেল আর গুগোল অ্যাডসেন্সে আবেদন করতে নিশ্চয় আপনার বয়স ১৮ রাখতে হবেআপনার মোবাইল নাম্বার

🌹 গুগোল অ্যাডসেন্সে কখন আবেদন করবেন

গুগোল এডসেন্সের আবেদন তাড়াহুড়া করে করলে হবে না। আপনি যদি ব্লগিং একাউন্ট ক্রিয়েট করে,কিছু পোস্ট লেখার পর আবেদন করেন তাহলে আপনার আবেদনটি বৃথা হয়ে যাবে।

ভাই সবকিছুতে একটি রুলস আছে তাই না। আপনি আবেদন করবেন আর গুগল কি এতই পাগল যে আপনার আবেদন অ্যাপ্রুভ করবে। তাই কিছু নিয়ম আপনাকেই নিশ্চয়ই ফলো করতে হবে।

প্রথমত,কনটেন্ট গুলো কপিরাইট করা যাবে না। কনটেন্ট গুলো হতে হবে আনকিউ।৬০০ ওয়ার্ডের ঊর্ধ্বে লেখার চেষ্টা করবেন। আপনি চেষ্টা করবেন আপনার ওয়েবসাইটটি যেন সুন্দর ও গোছানো হয়, এজন্য ডিজাইন করবেন।প্রতিটি পোস্ট ক্যাটাগরি আকারে পাবলিশ করবেন।গুগলে এডসেন্সের আবেদনের ক্ষেত্রে আপনাকে কমপক্ষে ৩০ টি মানসম্পন্ন পোস্ট পাবলিশ করার চেষ্টা করবেন।

গুগল এডসেন্স একাউন্ট খোলার প্রয়োজনীয় নিয়মবলি

আপনাকে প্রথমে  Google adsense লিংকে প্রবেশ করতে হবে। তারপর Get  started অপশনে ক্লিক করতে হবে।🌻🦋🌹🍂🍁💛🌴🥀🌿🌺🍀🌼

Get  started অপশনে ক্লিক করার পর  একটি ফ্রম দেখতে পারবেন সেখানে আপনার ওয়েবসাইটের নাম, জিমেইল, টিক মার্ক এবং আপনার নিজ নিজ কান্ট্রি সিলেক্ট করতে হবে।

উপরের তথ্যগুলো দিয়ে ফরমটি ফিলাপ করতে হবে তারপর Save and continue অপশনে ক্লিক করতে হবে।

জিমেইল পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করার পর পরবর্তীতে আর একটি ইন্টারফেস আসবে। সেখানে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো দিয়ে ইন্টারফেসটি ফিলাপ করতে হবে।

Account Type দিবেন IndividualTaxe info লেখা আসবে না তাই এটা avoid করুনName and address নিচের তথ্যগুলো দিয়ে ফিলাপ করুনName অপশনে আপনার নিজের নামটি দিনAddress 1: ন্যাশনাল আইডি কার্ডের সাথে মিল রেখে আপনার পুরো ঠিকানা লিখুন Town/city: এই অপশনে আপনার সিটি শহরের নাম লিখুনPostcod:  আপনার পোস্ট কোড ব্যবহার করুনPhone number:  অপশনে আপনার নিজস্ব মোবাইল নাম্বার টি ব্যবহার করুন পরিশেষে Submit করুন।

Verify mobail number in adsense

 ফরমটি সম্পন্ন ফিলাপ করা হলে পরবর্তীতে আপনাকে মোবাইল নাম্বার ভেরিফিকেশন করতে হবে।

গুগোল অ্যাডসেন্সে মোবাইল নাম্বার ভেরিফিকেশন অপশনে যদি কান্ট্রি সিলেক্ট করা থাকে তাহলে তো ভালোই। না হলে আপনাকে নিজ কান্ট্রি সিলেক্ট করতে হবে।

Sms-box আপনাকে সিলেক্ট করে দিতে হবে এবং আপনার ফোনে ভেরিফিকেশন কোড অপশনে ক্লিক করলে আপনার ফোনে ভেরিফিকেশন কোড প্রদান করা হবে।

প্রদানকৃত ভেরিফিকেশন কোডটি “Enter verification code” সাবমিট করে দিতে হবে তাহলে আপনার ফোন নম্বরটি ভেরিফাই হয়ে যাবে।

Connet your website for review

এখন হয়তো ভাবছেন এডসেন্স এর জন্য আবেদন করলাম তাহলে কেন আবার ওয়েবসাইটটি রিভিউ করতে হবে। এরকম প্রশ্ন আপনার মনে থাকা স্বাভাবিক।

গুগল এডসেন্স এর আবেদনের জন্য হাজার হাজার মানুষ বলে আবেদন করে থাকে। আর গুগোল সবকিছু এক্সেপ্ট করা সম্ভব না।

তাই আপনার ওয়েবসাইটের “Head” এ বসাতে হবে।তারপর গুগল এডসেন্সের অপশনে ভেরিফাই বা সাবমিট করে এর আসল মালিক আপনি সেটা বুঝতে পারবেন।

Connet your site to adsense

অনলাইন ইনকাম google Ads

গুগল এডসেন্স একাউন্ট খোলার নিয়ম!
google Ads

এ পর্যায়ে আপনারা দেখতে পারবেন আপনার ওয়েবসাইটের নাম এবং HTMLকোড। কোডটি আপনাকে আপনার ব্লগ সাইটে অথবা ওয়ার্ডপ্রেসের হেড অপশনে সাবমিট করে দিতে হবে।

অনলাইন ইনকাম google Ads

গুগল এডসেন্স একাউন্ট খোলার নিয়ম!
google Ads

কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেসে সাবমিট করে দিতে হয় তা নিচে আলোচনা করা হবে।

ব্লগে অ্যাডসেন্সের কোড বসানোর নিয়ম

 connect your site to adsense থেকে HTML code কপি করে নিতে হবে।

ব্লগার লগইন করি এডিট থিম অপশনে যেতে হবে।সেখান থেকে আপনাকে edit html থেকে </head> tage টি খুঁজতে হবে।

<Head> ভিতরে আপনার কপি করা কোডটি পেস্ট করে থিম সেভ করে নিন।

তারপর আপনার এডসেন্স একাউন্ট থেকে i have past the code into my site টিক দিন এবং Done  করে নিন।

আসা করি আমার পোস্ট টি আপনাদের ভালো লেগেছে আপনার যদি নিওমিত কাজ করেন তাহলে আসা করা যায় আপনি সফল হবেন৷

🌼 আরো পরেন  🌼

ঘরে বসে মাসে ৬০,০০০ টাকা পর্যন্ত আয় করতে চান? ফোনে রাখুন এই তিনটি অ্যাপ

FreeCash: The Panel Station: TaskBucks: 3 টি  অ্যাপে দিয়ে মাসে ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত আয।

আসসালামু আলাইকুম বন্দুরা কেমন আছেন আসা করি ভালো এতদিন আমরা সুনে আসি আললাইনে নাকি ইনকাম করা যায়। কিন্তু বিষাস করতে পারি না। কিন্তু এখন দেখি ওনেক মানুষ আললাইনে ইনকাম করে লাকলাক টাকা তুলতেছে। তো বন্ধুরা চলুন  শুরু করি সে সব বিষয়ে কিভাবে আললাইনে ডোলার কামাই করা যায়।

বর্তমান যুগে ঘরে বসে টাকা রোজগার করা কোনো অলীক কল্পনা নয়। এখনকার ডিজিটাল দুনিয়ায় ইন্টারনেটে উপলব্ধ একাধিক অ্যাপের সহায়তায় ঘরে বসে আয় করা নিতান্তই খুব সহজ একটি কাজ। আর দু-চার টাকা নয়, বেশ মোটা টাকাই এর সুবাদে পকেটে আসছে বহু মানুষের যার ফলে এখন চাকুরীজীবীরাও আয়ের দ্বিতীয় উৎস হিসেবে এই পথে হাঁটা শুরু করেছেন। আপনিও কি আপনার অবসর সময়কে কাজে লাগিয়ে বেশ কিছু টাকা আয় করতে চান? তাহলে আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনটি আপনার বিশেষভাবে কাজে আসবে। আসলে আজ আমরা এমন তিনটি অ্যাপের কথা বলতে চলেছি, যেগুলি ঘরে বসে আপনাদেরকে মোটা অঙ্কের টাকা রোজগার করতে ব্যাপকভাবে সাহায্য করবে। তাহলে চলুন, অ্যাপগুলির সম্পর্কে একটু বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

🌼🌼এই অ্যাপগুলি থেকে আয় করা যাবে। 🌻🌻

( ১) FreeCash: ঘরে বসে টাকা রোজগার করার জন্য অন্যতম সেরা একটি অ্যাপ্লিকেশন হল FreeCash। এখানে ইউজারদের বিভিন্ন রকমের টাস্ক দেওয়া হয়, যেগুলি সময়মতো শেষ করতে পারলেই তারা মোটা টাকা আয় করতে সক্ষম হবেন। আর খুব কষ্টসাধ্য কাজ নয় কিন্তু, সার্ভে করা বা গেম খেলার মতো সহজ কিছু কাজ করেই মাসের শেষে হাতের মুঠোয় হাজার হাজার টাকা পেয়ে যাবেন ব্যবহারকারীরা। আর এই কারণেই ২০২০ সালে চালু হওয়া এই অ্যাপটির মাত্র দু-বছরের মধ্যেই ইউজারবেস হয়ে গিয়েছে আকাশছোঁয়া। অ্যাপটির মারফত ইউজাররা গড়ে প্রতিদিন ২০ ডলারেরও (প্রায় ১,৫০০ টাকা) বেশি আয় করতে পারবেন।

(২)The Panel Station: এটি একটি সার্ভে অ্যাপ, যেখানে বিভিন্ন সংস্থার সার্ভে কমপ্লিট করে টাকা আয় করার সুযোগ পাওয়া যাবে। তবে বর্তমান যুগে প্রচুর পরিমাণে ঘটা সাইবার জালিয়াতির জন্য অনেকেই এই ধরনের অ্যাপগুলিকে ঠিক ভরসা করেন না। সেক্ষেত্রে জানিয়ে রাখি যে, এই অ্যাপে বিভিন্ন সরকারি সংস্থার সার্ভে করারও সুযোগ পাবেন ব্যবহারকারীরা। ফলে মাসের শেষে টাকা পেতে তাদেরকে কোনো সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে না। মোটামুটি ৩০ সেকেন্ড থেকে ১০ মিনিটের মধ্যে ইউজারদেরকে এই সার্ভেগুলি কমপ্লিট করতে হবে। আর দীর্ঘমেয়াদি সার্ভের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীরা বেশ মোটা টাকা রোজগারের সুযোগ পাবেন। এই অ্যাপের মাধ্যমে খুব সহজেই দিনে ২,০০০ টাকা পর্যন্ত আয় করা যায়। ফলে এই অ্যাপ ব্যবহার করলে মাসের শেষে ইউজারদের অ্যাকাউন্ট যে ফুলেফেঁপে উঠতে বাধ্য, সেকথা নিশ্চয়ই আর আপনাদের বুঝে নিতে কোনো অসুবিধা হচ্ছে না।

(৩)TaskBucks: TaskBucks অ্যাপেও ইউজারদেরকে বিভিন্ন ধরনের কাজ দেওয়া হয়, যেমন – অ্যাপ ইন্সটল করা, ভিডিও দেখা, ইত্যাদি। এই সমস্ত টাস্কগুলিকে অ্যাপের ডিসপ্লেতে দেখা যায়, যেগুলি যথাযথভাবে কমপ্লিট করলে সহজেই ইউজাররা মোটা টাকা রোজগার করতে পারবেন। সবচেয়ে বড়ো কথা হল, অ্যাপটির প্রোমোশনের উদ্দেশ্যে আপনি যদি কোনো একজন ইউজারকে এই অ্যাপটি ইনস্টল করার জন্য রাজি করাতে পারেন, তাহলেই আপনার অ্যাকাউন্টে চলে আসবে ২৫ টাকা। অর্থাৎ, শুধুমাত্র রেফারেল টাস্ক করেই ৪০০-৫০০ টাকা অনায়াসে পকেটে পুড়তে সক্ষম হবেন ইউজাররা। তাহলে এবার আপনিই ভেবে দেখুন যে, এর সাথে আরও অন্যান্য কাজ করলে মাসে কত টাকা আয় করা যাবে!

শেষ কথা

সম্মানিত ভিউয়াস, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমার আর্টিকেলটি পড়ার জন্য। আর হ্যাঁ, আমার আর্টিকেলটি পরে যদি আপনি একটু উপকৃত হন, তাহলে আমি নিজেকে ধন্য মনে করব। আমি প্রতিনিয়তঃ চেষ্টা করি নতুন নতুন বিষয় আর্টিকেল লেখার। তাই আপনারা যারা আপডেট কোনো বিষয় সম্পর্কে জানতে চান তারা প্রতিনিয়ত আমার সাইটকে ভিজিট করতে পারেন। আপনার যদি কোন বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ থাকে। তাহলে আপনারা কমেন্ট বক্সে কমেন্টের মাধ্যমে বলতে পারেন। আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ আপনার বিষয়  নিয়ে আর্টিকেল লেখার । এই আশা ব্যক্ত করে আবারো সালাম দিয়ে শেষ করছি আসসালামু আলাইকুম রহমতুল্লাহ বারাকা তুহ।

🌹Razuaman.com🌹

Leave a Reply

Your email address will not be published.