আজওয়া খেজুর

আজওয়া খেজুর পৃথিবীর সবচেয়ে দামি খেজুর-AJWAH DATES razuaman.com

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম সম্মানিত সাইট ভিজিটর ভাইয়েরা আশা করি সবাই ভাল । আজকে আমি সৌদি আরবের সবচেয়ে উন্নত খেজুর সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব আজওয়া খেজুর পৃথিবীর সবচেয়ে দামি খেজুর। আর স্বাদের দিক দিয়েও সবচেয়ে বেশি সুস্বাদু।

আজওয়া খেজুর বাংলাদেশের বাজারে কেজি 2000 টাকা থেকে 12 হাজার টাকা এই খেজুর খেলে অনেক রকম ওষুধের কাজ করে । এই খেজুর ওষুধ হিসেবেও অনেক মানুষ ব্যবহার করে । এই খেজুর খেলে একটি মানুষের অনেক উপকার হয়ে থাকে । এই খেজুর সারা বিশ্বের মানুষ খেয়ে থাকেন ।আর কেনইবা দামী হবে না? যে খেজুর রাসুলের নিজ হাতে রোপন করা।

আজওয়া খেজুর পৃথিবীর সবচেয়ে দামি খেজুর-AJWAH DATES

আজওয়া খেজুর পৃথিবীর সবচেয়ে দামি খেজুর-AJWAH DATES

আজওয়া খেজুরের উপকারীতা হাদিস দ্বারা প্রমানিত তাই রোগের প্রতিষেধক হিসাবে ব্যবহার করতে পারি।
* তাছাড়া অন্য এক হাদিসে হৃদরোগের জন্য এ আজওয়া খেজুর ব্যবহার করতে বলেছেন।সাদ (রাঃ) বলেন, এক সময় আমি মারাত্নকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লাম।নবী করীম (ছাঃ) আমার খোজ-খবর নেয়ার জন্য আসলেন তিনি তাঁর হাতখানা আমার দু’স্তনের মধ্যখানে(বুকের উপর) রাখলেন । এতে আমি আমার কলিজায় শীতলতা অনুভব করলাম ।

অতঃপর তিনি বললেন, তুমি একজন হৃদরোগী ।সুতরাং তুমি ছাক্বীফ গোত্রীয় হারেস ইবনে কালদার নিকট যাও। সে একজন চিকিৎসক। পরে তিনি বললেন, সে যেন অবশ্যই মদীনার সাতটি ‘আজওয়া’ খেজুর বীচিসহ পিষে তোমার মুখের মধ্যে ঢেলে দেয়’।

* নবী (সা) বলেছেন: যে ব্যক্তি প্রতিদিন সকালে কয়েকটি আজওয়া খুরমা খাবে ঐ দিন রাত পর্যন্ত কোন বিষ ও যাদু তার কোন ক্ষতি করবে না । অন্যান্য বর্ননাকারীগণ বলেছেনঃ সাতটি খুরমা । (বুখারী ও মুসলিম)

অন্য এক হাদিসে জানা যায়, রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেনঃ

যে ব্যক্তি প্রত্যাহ সকালে সাতটি আজওয়া (উৎকৃষ্ট) খেজুর খাবে, সেদিন তাকে কোন বিষ ও যাদু ক্ষতি করবে নাএর দ্বারা।(বুখারী-৫৩৫৬)
হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত। হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই আলিয়ার (মদিনার গ্রাম) আজওয়া খেজুরে রোগ নিরাময়কারী এবং প্রাতঃকালীন প্রতিষেধক।’ (মুসলিম)
সুতরাং

আজওয়া খেজুর সম্পর্কে আরও অবাক করা কিছু তথ্য :-

লাংস ও ক্যাভিটি ক্যান্সার থেকে শরীরকে দূরে রাখে। অন্তঃসত্ত্বা নারীর সন্তান জন্মের সময় আজওয়া খেজুর খেলে জরায়ুর মাংসপেশির দ্রুত সংকোচন। প্রসারণ ঘটিয়ে, প্রসব হতে সাহায্য করে।

* ফুসফুসের সুরক্ষার পাশাপাশি মুখগহ্বরের ক্যান্সার রোধ করে।
* প্রসব-পরবর্তী কোষ্ঠকাঠিন্য ও রক্তক্ষরণ কমিয়ে দেয়।
* এতে আছে ডায়েটরই ফাইবার যা কোলেস্টোরল থেকে মুক্তি দেয়।
* এতে রয়েছে ৭৭.৫% কার্বহাইড্রেট, যা অন্যান্য খাদ্যের বিকল্প শক্তি হিসেবে কাজ করে।
* এতে রয়েছে ৬৩ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম ও ৭.৩ মিলিগ্রাম লৌহ – যা হাড়, দাঁত, নখ, ত্বক, চুল ভালো রাখতে সহায়তা করে।

*স্নায়ুবিক শক্তি বৃদ্ধি করে।
*আজওয়া খেজুর হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
*হজমশক্তি বৃদ্ধি করে, লিভার ও পাকস্থলীর শক্তিবর্ধক।
*ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
*ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ এই ফল দৃষ্টিশক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
*রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
*নারীদের শ্বেতপ্রদর ও শিশুর রিকেট নিরাময়ে খেজুরের কার্যকারিতা প্রশ্নাতীত।
*পেটের গ্যাস, শ্লেষ্মা, কফ দূর করে, শুষ্ক কাশি এবং এজমায় উপকারী।
*উচ্চমাত্রার শর্করা, ক্যালরি ও ফ্যাট সম্পন্ন খেজুর জ্বর, মূত্রথলির ইনফেকশন, যৌনরোগ, গনোরিয়া, কণ্ঠনালির ব্যথা বা ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা, শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধে বেশ কার্যকরী।
*নেশাগ্রস্তদের অঙ্গক্ষয় প্রতিরোধ করে আজওয়া খেজুর। স্বাস্থ্য ভালো করতে বাড়িতে তৈরী ঘিয়ে ভাজা খেজুর ভাতের সাথে মিশিয়ে খেতে পারেন।

সবচেয়ে বড় কথা হল এ খেজুরের গাছের গুটলি গুলো হুজুর সাঃ নিজ হাতে বপন করেছেন, সে হিসাবে অন্তরে মহব্বত নিয়ে বরকতের জন্য ও খেতে পারেন।আর শেফার নিয়তে তো খেতেই পারেন নিঃসংকোচে। আল্লাহ সহায় হউক।

Leave a Reply

Your email address will not be published.