কৃষি খামার

একটি বাড়ি একটি খামার-আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্প

১ আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্পের আওতায় সমিতি গঠন হয়েছে- ০১ লক্ষ ২০ হাজার ৩২৫ টি, উপকারভোগী সদস্য পরিবার- ৫৬ লক্ষ ৭৭ হাজার, সদস্য সঞ্চয়- ২০৮৬ কোটি টাকা, সরকার প্রদত্ত বোনাস- ২০০০ কোটি টাকা, ঘূর্ণায়মান তহবিল- ৩২০০ কোটি টাকা, মোট ঋণ গ্রহণকারী উপকারভোগীর সংখ্যা- ৪৫ লক্ষ ৯৩ হাজার জন, মোট ঋণ বিতরণ- ১১০৪১ কোটি টাকা, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা উন্নয়ন ঋণ বিতরণ- ৪৯০ কোটি টাকা, প্রকৃত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আয়বর্ধক খামারের সংখ্যা- ৩৩ লক্ষ ৭৩ হাজার, মোট তহবিল- ৭৬০৯ কোটি টাকা। (তথ্য: ৩০ জুন, ২০২১ পর্যন্ত)

২ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ সংক্রান্ত (4171, 3/11/2020)
৩ গ্রাম সামিতিতে তহবিলের বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা সংক্রান্ত (4170, 3/11/20)
৪ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে অফিসের সকলের করণীয় নির্দেশনাসমূহ ৫ উপজেলা কার্যালয় হতে আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্পের ঋণ বিতরণ প্রসংগে (3135, 10/02/2020)
৬ আগামী ১৭ মার্চ ২০২০ তারিখ অনুষ্ঠেয় মুজিববর্ষের উদ্বোধন উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠান আয়োজন সংক্রান্ত পরামর্শ (577, 31/12/2019) একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পে

৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজের অর্জন (৩০ জুন, ২০১৯ পর্যন্ত)
৮ আবাআখা (৩য় সংশোধিত) প্রকল্পের আওতায় নতুন সমিতি পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের কোর ব্যাংকিং সফটওয়্যারে গঠন করা প্রসংগে (2110, 04/09/2019)

৯ আমার বাড়ি আমার খামার (তৃতীয় সংশোধনী) প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তথ্য অনলাইনে পোস্টিং প্রদান প্রসংগে (358, 25/08/2019)

১০ আমার বাড়ি আমার খামার (৩য় সংশোধিত) প্রকল্পের ঋণ অনুমোদন সহজিকরণ প্রসংগে (339, 20/08/2019) ২০১৯-০৮-২১

১১ আমার বাড়ি আমার খামার (৩য় সংশোধিত) প্রকল্পের ২০১৯-২০ অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ প্রসংগে (1944, 25/07/2019)  Home / জাতীয় / একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পে উপকৃত হচ্ছে দেড় কোটিরও বেশি হতদরিদ্র khamar................. প্রতীকী ছবি একটি বাড়ি একটি খামার

১২ মাঠ পর্যায়ে সঞ্চয় ও ঋণের পাসবই ব্যবহার সংক্রান্ত নির্দেশাবলী (1940, 24/07/2019)
১৩ বিজ্ঞপ্তি (227,16/07/2019)
১৪ শোক বার্তা, জনাব দ্বীনবন্ধু দাস, মাঠ সহকারী, বালিয়াকান্দি উপজেলা (16/07/2019)
১৫ আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্পের আওতায় সমিতি গঠন হয়েছে- ১ লক্ষ ৩ হাজার ২৭৬ টি, উপকারভোগী সদস্য পরিবার- ৪৫ লক্ষ ৩৭ হাজার, সদস্য সঞ্চয়- ১৬৫৭ কোটি ২ লক্ষ টাকা, সরকার প্রদত্ত বোনাস- ১৪৪৩ কোটি ৫২ লক্ষ টাকা, ঘূর্ণায়মান তহবিল- ২৫৮২ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকা, প্রকৃত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আয়বর্ধক খামারের সংখ্যা- ১৩ লক্ষ ৫৬ হাজার টি ও মোট তহবিল- ৫৯০৮ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা (তথ্য: জুন’২০১৯ পর্যন্ত)

১৬ প্রকল্পের উপকারভোগীদের সঞ্চয়ের অর্থ ও ঋণের কিস্তি আগামী ২৩.০৬.২০১৯ তারিখের মধ্যে অনলাইন হিসাবে পোস্টিং প্রদান প্রসংগে (215, 17/06/2019)

১৭ আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্প ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক এর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ প্রসংগে (664, 13/06/2019)

১৮ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপত্তিকর পোস্ট প্রদান/শেয়ার করার বিষয়ে সতর্কীকরণ-1736,09.06.2019

১৯ নবনিয়োগকৃত মাঠ সহকারীদের ২০১৮-১৯ অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ প্রসংগে (1648, 21/05/2019)
২০ স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী জেলা ও উপজেলা কার্যালয়ে সিসি ক্যামেরা সিস্টেম ক্রয় এবং স্থাপন সংক্রান্ত (171, 15/05/2019)

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অন্যতম বিশেষ উদ্যোগ ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পের মাধ্যমে সারা দেশে প্রায় ১ কোটি ৬৫ লাখ দরিদ্র ও অতিদরিদ্র মানুষ উপকৃত হচ্ছে।

একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের পরিচালক আকবর হোসাইন জানান, “তহবিল সংগ্রহ এবং ব্যবসায় বিনিয়োগের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই সরকার এ প্রকল্পটি গ্রহণ করে। প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অনুযায়ী এটি দরিদ্র
মানুষদের স্বাবলম্বী করেতুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।”

তিনি বলেন, ‘এ প্রকল্পের অধীনে সারা দেশে ৬৭ হাজার ৭ শত ৫৭টিগ্রাম উন্নয়ন সমিতি গঠিত হয়েছে। যা থেকে ৩২ লাখ ৭০ হাজারপরিবার উপকৃত হচ্ছে। প্রকল্পের সুবিধাভোগীরা ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ১ হাজার ২ শত ২১ কোটি ৫৮ লাখ টাকারও বেশি গচ্ছিত রেখেছে এবং সরকার ১ হাজার ২৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকা অনুদান হিসেবে দিয়েছে।

প্রকল্পের আবর্তিতমান তহবিল ১ হাজার ৫ শত ৭ কোটি ৭৭ লাখ টাকা এবং এর উপার্জনক্ষম প্রকল্পের সংখ্যা ৩৫ লাখ ৮ হাজারেরও বেশি । এসব উপার্জনক্ষম প্রকল্পে ৪ হাজার ৭ শত ৫ কোটি ৮৭ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে।

আকবর হোসাইন বলেন,‘এ প্রকল্পের মাধ্যমে সরকার দরিদ্র পরিবারগুলোকে মূলধন গঠনের ক্ষেত্রে সহযোগিতা করছে। প্রশিক্ষণ ও উৎসাহ প্রদানের মাধ্যমে তাঁদের দক্ষতা বাড়ানো হচ্ছে, যা তাদের উৎপাদিত পণ্যের বাজারজাতকরণ সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদেরকে একসাথে উঠান বৈঠকে বসতে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং প্রয়োজন মাফিক ছোট পারিবারিক খামার প্রতিষ্ঠা করতে সাহায্য করছে।’

প্রকল্প পরিচালক বলেন,‘গ্রাম উন্নয়ন সমিতি’র সদস্যরা ইতোমধ্যে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে। এখন তারা নিজেদের ব্যবসা নিজেরাই স্বাধীনভাবে পরিচালনা করতে সক্ষম। এ প্রকল্প পরিচালনার ফলে প্রকল্পভুক্ত এলাকাগুলোতে নিম্ন আয়ের পরিবারের হার ১৫ শতাংশ থেকে ৩ শতাংশে নেমে এসেছে। স্বাবলম্বী পরিবারের হারও ২৩ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৩১ শতাংশ হয়েছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published.