এসাইনমেন্ট

এসএসসি ২০২১ পৌরনীতি ও নাগরিকতা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর !এসাইনমেন্ট-এর-উত্তর

করোনা ভাইরাসের কারণে স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় এসএসসি ২০২১ পরীক্ষার্থীদের জন্য অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম চালু করেছে শিক্ষা বোর্ড। কার্যক্রমের মধ্যে ১২ সপ্তাহে ২৪ টি দেওয়া হবে এসএসসি ২০২১ শিক্ষার্থীদের জন্য। এসএসসি ২০২১ পরীক্ষা দিতে হবে মাত্র তিনটি বিষয়ে। চতুর্থ বিষয় বাদে সেসকল নৈর্বাচনিক বিষয় অ্যাসাইনমেন্ট শুধুমাত্র করতে হবে। যেমন যদি কোনো শিক্ষার্থীর চতুর্থ বিষয়ে উচ্চতর গণিত হয় তবে তাকে উচ্চতর গণিত অ্যাসাইনমেন্ট করতে হবে না। অর্থাৎ চতুর্থ বিষয় এর এসাইনমেন্ট করতে হবে না। আবার আবশ্যিক বিষয় গুলোর অ্যাসাইনমেন্ট করতে হবে না। পরীক্ষা হবে তিনটি বিষয়ের ৬ টি পত্রের ওপর। এ ৬ টি পত্রের প্রত্যেকটি পথে চারটি করে অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশিত হবে অর্থাৎ একটি বিষয়ে আটটি অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশিত হবে। শিক্ষার্থীদের তাদের নির্ধারিত বিষয় ৮ টি অ্যাসাইনমেন্ট করে জমা দিতে হবে।

পৌরনীতি ও নাগরিকতা ষষ্ঠ সপ্তাহের চতুর্থ এসাইনমেন্ট টি থেকে শিখা যাবে শিখনফল হলো সরকারের স্বরূপ উল্লেখ করতে পারা যাবে, বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো বর্ণনা করা যাবে। এক্ষেত্রে কিছু নির্দেশনা সংকেত ধাপ ওপরে রয়েছে যেগুলো সম্পূর্ণভাবে মেনে চলতে হবে তাহলো পাঠ্যপুস্তুক বা শিক্ষক থেকে যোগাযোগ করে নেয়া যেতে পারে।

ইন্টারনেটে সহায়তা নিয়ম অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান করা যেতে পারে, প্রশাসনিক কাঠামো বিশ্লেষণ করতে হবে, কেন্দ্রীয় প্রশাসন বিশ্লেষণ করতে হবে, বিভাগীয় প্রশাসনের গঠন ও কার্যাবলী বর্ণনা করতে হবে, জেলা প্রশাসনের গঠন ও কার্যাবলী বর্ণনা করতে হবে, উপজেলা প্রশাসনের কার্যাবলী বর্ণনা করতে হবে।

এসএসসি ২০২১ ষষ্ঠ সপ্তাহ পৌরনীতি ও নাগরিকতা অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান

কাকে নির্দেশক রয়েছে এবং সেগুলো সম্পূর্ণভাবে মেনে চললে সম্পূর্ণ নাম্বার পাওয়া যেতে পারে। বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো বিশ্লেষণ এর ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো সঠিকভাবে বিশ্লেষণ করতে হবে। বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রশাসন বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রশাসন সঠিকভাবে বিশ্লেষণ করতে হবে।বাংলাদেশের জেলা প্রশাসন এর কার্যাবলী বিশ্লেষণ করতে জেলা প্রশাসকের কার্যাবলী সংক্ষেপে বিশ্লেষন করতে হবে তবেই সম্পূর্ণ নাম্বার পাওয়া যাবে।

ক বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো (কেন্দ্রীয় প্রশাসন ও মাঠ প্রশাসন) বিশ্লেষণ

রাষ্ট্রের শাসন কার্য পরিচালনার দায়িত্ব প্রশাসনের। রাষ্ট্রের ভিতরে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা ও রাষ্ট্রের সমৃদ্ধির লক্ষ্যে সুস্থ প্রশাসনের কোনো বিকল্প নেই। প্রশাসনকে তাই বলা হয় রাষ্ট্রের হৃদপিন্ড। প্রশাসন একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। নিচে বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর ছকের সাহায্যে তুলে ধরা হলোঃ
এসএসসি ২০২১ ৬ষ্ঠ – ষষ্ঠ সপ্তাহের পৌরনীতি ও নাগরিকতা এসাইনমেন্ট এর উত্তর?উপরের ছকের লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর স্তর ভিত্তিক। এর দুটি প্রধান স্তর আছে। প্রথম স্তরটি হল কেন্দ্রীয় প্রশাসন। বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রশাসনে দ্বিতীয় স্তরটি হল মাঠ প্রশাসন। মাঠ প্রশাসনের প্রথম ধাপ হলো বিভাগীয় প্রশাসন।

দ্বিতীয় ধাপে রয়েছে জেলা প্রশাসন। জেলার পর আছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা প্রশাসন একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত। দেশের সব ধরনের প্রশাসনিক নীতি ও সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গ্রহণ করা হয়। আর কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গৃহীত নীতি ও সিদ্ধান্ত মাঠ প্রশাসনের মাধ্যমে সারাদেশে বাস্তবায়িত হয়।মাঠ প্রশাসন মূলত কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়ে থাকে।

এছাড়া প্রতি মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত আছে বিভিন্ন বিভাগ বা অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের/ দপ্তরের প্রধান হলেন মহাপরিচালক /পরিচালক।মন্ত্রণালয়ের অধীনে আরো আছে বিভিন্ন স্বায়ত্তশাসিত বা আধা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, বোর্ড ও কর্পোরেশন। এসব দপ্তর ও অফিসের কোনো কোনোটির কার্যকলাপ আবার বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যন্ত বিস্তৃত। দপ্তর/ অধিদপ্তর গুলো সচিবালয়ের লাইন সংস্থা হিসেবে বিভিন্ন সরকারি কাজ বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করেন।

খ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রশা সন বিশ্লেষণ

কেন্দ্রীয় প্রশাসন
সচিবালয় কেন্দ্রীয় প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু। দেশের সকল প্রশাসনিক প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সচিবালয় কয়েকটি মন্ত্রণালয় নিয়ে গঠিত। এক একটি মন্ত্রণালয় এক একজন মন্ত্রীর অধীনে ন্যস্ত।প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের একজন সচিব আছেন। তিনি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক প্রধান এবং মন্ত্রীর প্রধান পরামর্শদাতা। মন্ত্রণালয়ের সকল প্রশাসনিক ক্ষমতা সচিবের হাতে। মন্ত্রীর প্রধান কাজ প্রকল্প প্রণয়ন ও নীতি নির্ধারণ। আর মন্ত্রীকে নীতি-নির্ধারণেও শাসনকার্য সহায়তা করা এবং এসব নীতি বাস্তবায়নের দায়িত্ব সচিবের।

  • এসএসসি ২০২১ ৬ষ্ঠ – ষষ্ঠ সপ্তাহের পৌরনীতি ও নাগরিকতা এসাইনমেন্ট এর উত্তর?বদলি, পদায়ন সংক্রান্তঃ
    বিভাগীয় কমিশনার তাঁর বিভাগাধীন সকল জেলা এবং উপজেলায় সহকারী কমিশনার, সহকারী কমিশনার (ভুমি), উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের বদলি এবং পদায়ন করেন। তাছাড়া, ভূমি অফিসে কর্মরত ভূমি উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা, কানুনগো, সার্ভেয়ারদের বিভাগাধীন আন্তঃজেলা বদলি করেন।
  • প্রশাসনিক কার্যক্রম তদারকিঃ

বিভাগীয় পর্যায়ের বিভিন্ন বিভাগ ও দপ্তরের কার্যাবলী সমন্বয় সাধন বিভাগীয় কমিশনারের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব । এ ছাড়া বিভাগীয় কমিশনার বিভাগাধীন জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সহ প্রশাসনে কর্মরত কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের কার্যক্রম তদারকি করেন, প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং এ সংক্রান্ত অগ্রগতি, মূল্যায়ন সময়ে সময়ে সরকারকে অবহিত করেন।

  • রাজস্ব সংক্রান্তঃ
    বিভাগের ভূমি রাজস্ব আদায় সংক্রান্ত কার্যাবলী পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করেন । তিনি বিভাগের প্রধান রাজস্ব অফিসার হিসেবে রাজস্ব আদায় সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যাবলী সম্পাদন করন । রাজস্ব বিষয়ে জেলা প্রশাসকদের আদেশের বিরুদ্ধে তিনি আপিল শুনানী গ্রহন করে থাকেন ।
  • নির্বাচনী বোর্ড সংক্রান্তঃ

বিভাগীয় কমিশনার পদাধিকার বলে বিভাগীয় নির্বাচনী বোর্ডের সভাপতি। এ বোর্ড তাঁর কার্যালয়, ডিআইজির কার্যালয়, পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়, বিভাগাধীন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে তৃতীয় এবং ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালনা করেন।

  • মাসিক সভা সংক্রান্তঃ

বিভাগীয় কমিশনারের সভাপতিত্বে বিভাগীয় পর্যায়ে প্রতি মাসে টাস্ক ফোর্স সভা, বিভাগীয় আইন শৃঙ্খলা সভা, বিভাগীয় রাজস্ব সম্মেলন, বিভাগীয় উন্নয়ন সমন্বয় সভা এবং ত্রৈমাসিকভাবে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাগণের সভা অনুষ্ঠিত হয়।

  • আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্তঃপুলিশ রেগুলেশনস অফ বেঙ্গল (পিআরবি) ১৮৬১ অনুযায়ী পুলিশের উপর সাধারণ নিয়ন্ত্রণ ও দায়িত্ব পালন।
  • প্রটোকল সংক্রান্তঃ

বিভাগীয় কমিশনার বিভাগীয় পর্যায়ের প্রোটকল প্রধান। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে তিনি প্রধান প্রটোকল অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন।

  • পরিদর্শন সংক্রান্তঃ

তিনি নিয়মিতভাবে বিভাগাধীন সকল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়, সহকারি কমিশনার (ভূমি) এর কার্যালয় পরিদর্শন করেন। তাছাড়া বিভিন্ন সরকারী কার্যালয়, প্রতিষ্ঠান. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দর্শন ও পরিদর্শন করেন।

  • আপিল আদালত পরিচালনা সংক্রান্তঃ

বিভাগীয় কমিশনার রাজস্ব মামলা, নামজারি মামলার আপিলেট কর্তৃপক্ষ। এ সংক্রান্ত আপিল তিনি নিষ্পত্তি করেন।

  • অভিযোগ তদন্ত বিষয়কঃ

বিভাগীয় কমিশনার বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা ছাড়াও যে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের তদন্তকার্য পরিচালনা করে থাকেন।

  • রাষ্ট্রীয় গোপনীয় বিষয়াদিঃ

রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা সংক্রান্ত কার্যাদি। সাইফার ও ডি-সাইফার সম্পর্কিত পুস্তকাদির সংরক্ষণ এবং প্রাপ্ত সাইফার বার্তা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ। গোপনীয় পুস্তকাদির নিরাপদ হেফাজত সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রেরণ। KPI এর নিরাপত্তা এর তদারকি। বিভাগীয় সার্বিক অবস্থার পাক্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন সরকারের কাছে প্রেরণ।

  • ত্রাণ ও দুর্যোগ সংক্রান্তঃ

বিভাগাধীন জেলা এবং উপজেলায় ত্রাণ সামগ্রী বরাদ্দের বিষয় তদারকি করেন। তাছাড়া দুর্যোগকালীন সময়ে তিনি উদ্ধার কার্য মনিটরিং করেন।

গ জেলা প্রশাসনের কার্যাবলী বিশ্লেষণ

বদলি, পদায়ন সংক্রান্তঃ

বদলি, পদায়ন সংক্রান্তঃ

উপ-জেলা প্রশাসনের কার্যাবলী

বাংলাদেশে মোট ৪৯০ টি প্রশাসনিক উপজেলা আছে। উপজেলা প্রধান প্রশাসক হলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। উপজেলা প্রশাসনিক কাজ তদারক করা তার অন্যতম দায়িত্ব। এছাড়া তিনি উপজেলার সকল উন্নয়ন কাজ তদারক করেন ও সরকারি অর্থের তত্ত্বাবধান করেন। তিনি উপজেলা উন্নয়ন কমিটির প্রধান।

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের উল্লেখযোগ্য কাজ হলো কেন্দ্রীয় সরকারের সকল প্রকার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন এবং বিভিন্ন বিভাগের কাজের সমন্বয় সাধন করা। এছাড়া তিনি সাধারণ প্রশাসন, রাজস্ব প্রশাসন, ফৌজদারি প্রশাসন ও উন্নয়ন প্রশাসন বিষয়ে দায়িত্ব পালন করেন। অন্যান্য দায়িত্ব হলোঃ

  • আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড তদারকি করণ।
  • সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন।
  • সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ তদারকি ও বাস্তবায়ন।
  • ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন।
  • যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন।
  • বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবেলায় পূর্বপ্রস্তুতি ও পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।
  • আশ্রয়ণ প্রকল্ল, আদর্শ গ্রাম, আবাসন প্রকল্প গ্রহণ ও তাদের বাস্তবায়ন।
  • উপজাতিয়দের ঋণ প্রদান তাদেরকে স্বাবলম্বী করণ।
  • আবাসন বাসীদের ঋণপ্রদান ও তাদেরকে স্বাবলম্বী করণ।
  • অসহায় মানুষদের বিভিন্ন আশ্রয়নে সংস্থানকরণ।
  • মাধ্যমিক বিদ্যালয়/ প্রাথমিক বিদ্যালয়/ মাদ্রাসা পরিদর্শণ ও তাদের শিক্ষার মান উন্নয়ন করণ।
  • স্থানীয় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করণ।
  • প্রাথমিক বিদ্যালয় মেরামত/সংস্কার ও আসবাবপত্র প্রদান।
  • ইউনিয়ন পরিষদে ট্যাক্স আদায়ের জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা।
  • ভূমি উন্নয়ন কর আদায়।
  • ঝাটকা ধরা বন্ধ করার লক্ষ্যে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা।
  • কাজের বিনিময় খাদ্য কর্মসূচী।
  • বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান।
  • সাধারণ অভিযোগ তদন্ত ও নিষ্পত্তি।
  • দূর্যোগকালীন ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ ও ভিজিডি, ভিজিএফ, অতিদরিদ্র কর্মসংস্থান কর্মসূচী বাস্তবায়ন

Leave a Reply

Your email address will not be published.