স্বাস্থ্য

ওজন কমানোর সহজ উপায় ২০২২?

হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছেন এই গরমে ? জানি অনেকটাই খারাপ আছেন কি তাই তো ? আর সবার বাড়িতে তো আর এসি নেই আর এসি থাকলেই বা কি বাইরে তো র এসি পাবে না। যাইহোক আজকের বিষয়টা কিন্তু গরম বা এসি নিয়ে নয়। আজকের বিষয়টা রোগা হওয়া নিয়ে। আমি জানি আপনারা অনেকেই রোগা হওয়া নিয়ে অনেকটাই সমস্যার মধ্যে আছেন। আপনারা আপনারা অনেকেই ভাবেন যে দ্রুত স্লিম হওয়ার উপায় বা রোগা হওয়ার ডায়েট বা রোগা হওয়ার উপায়।

কিন্তু  রোগা হতে চাওয়া মানেই একটা লম্বা ডায়েটের চার্ট মেনে চলা। আর দিনের পর দিন ঘাম ঝরিয়ে জিম। সে খুব কষ্টের। কিন্তু শরীরের খেয়ালও তো রাখতে হবে। ওজন বেড়ে গেলেও আবার মুশকিল হবে। হ্যাঁ খাওয়া না কমিয়েও রোগা হওয়া সম্ভব। দেখুন। আর শীতকালে মোটা হওয়ার প্রবণতা প্রায় অনেকটাই বেরে যায়। কারণ শীতকাল মানেই যে নো শরীর খারাপ, তাই নো চিন্তা। যত খুশি খাও আর আরাম করো। এছাড়া শীতকালে ঘাম যেহেতু খুব একটা হয় না, তাই কাজ করলেও খুব একটা রোগা হওয়া যায় না। ওজন কমানোর ব্যায়াম কিন্তু আমাদের অনেকটাই  কাজ এ দেয়। কিন্তু জিমে ভর্তি হওয়া মানেই তো সেই কত টাকা খরচ। তাই যদি ঘরোয়া উপায় রোগা হতে পারেন তাহলে তো আর মন্দ হয় না?

কোন কারণে যদি আমাদের ওজন একবার বেড়ে যায় তাহলে যেন আর কমতে চাই না । ওজন বাড়ার সাথে সাথে আমাদের শরীরে বাসা বাঁধে নানা ধরনের রোগ। তাই আমাদের সকলের উচিত দ্রুত ওজন কমিয়ে নিজেকে সুস্থ রাখা। আপনাদের যাদের খুব বেশি ওজন বেড়ে গেছে এবং কোনোভাবেই ওজন কমানো যাচ্ছে না তাদের জন্য আমি খুব সহজ এবং কার্যকর একটি রেমেড়ি শেয়ার করছি। এটি সঠিকভাবে মেনে চললে কমপক্ষে একদিনে ওজন দেড় কেজি কমিয়ে দিবে।

ওজন কমানোর রেমেড়িটি তৈরির প্রয়োজনীয় উপাদানঃ

দুটি- কলাএক টুকরো- আদা (২০ গ্রাম মত আদা )দশ বারোটি – ধনে পাতাএকটি – শসাঅর্ধেক -লেবু

ওজন কমানোর রেমেড়িটি তৈরীর ধাপঃ

প্রথমে কলা ও আদার খোসা ছাড়িয়ে নিন । এরপর অর্ধেক শসা কেটে নিন।   এবার কলা, আদা ও শসা টুকরো টুকরো করে কেটে নিন ।  কলা, আদা ও শসা টুকরোর সাথে ধনেপাতা দিয়ে সবগুলো উপাদানকে একসাথে একটি ব্লেন্ডারে নিন।এরপর এর মধ্যে এক কাপ মত পানি মিশিয়ে এটাকে ব্লেন্ড করে নিন।ব্লেন্ড করে একটি গ্লাসে নিয়ে মিশ্রণের মধ্যে অর্ধেক লেবুর রস দিয়ে এটাকে মিশিয়ে নিন।

খাবারের নিয়মঃ

এই রেমেড়িটি সকালে ও রাতে খাবার গ্রহণের আগে খাবেন।এই রেমেড়িটি খাবারের আগে আপনারা এক গ্লাস কুসুম গরম পানি খাবেন । সারা দিন কোন তেল মশলা এবং চর্বিযুক্ত খাবার খাবেন না আর সমস্ত রকমের ফাস্টফুড খাবার গ্রহণ থেকে দূরে থাকবেন।আর দিনে কমপক্ষে ৪ লিটার পানি পান করবেন ।

কেন কাজ করবেঃ

কলাঃ

কলার মধ্যে আছে ফাইবার যা শরীরের সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে ।

আদাঃ

অতিরিক্ত খাবার গ্রহণের ফলে আমাদের ওজন বেড়ে যায় । আদা প্রাকৃতিক ভাবে ক্ষুধা নিবারন করে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ থেকে দূরে রাখবে । আদা শরীরের ডাইজেস্টিভ পাওয়ার এবং মেটাবলিজম সিস্টেমকে উন্নত কর খুব দ্রুত শরীরের ওজন কমিয়ে ফেলবে ।

শসাঃ

ওজন কমানোর আদর্শ খাদ্য হিসেবে সবার কাছে জনপ্রিয় শসা। শসা শরীরের মেটাবলিসমকে উন্নত করে শরীর হতে অতিরিক্ত চর্বি বের করে দেয় । যার ফলে শরীরের ওজন খুব দ্রুত কমে আসে পেটের চারপাশে জমে থাকা অতিরিক্ত চর্বি খুব দ্রুত ঝরিয়ে ফেলতে কাজ করে ।

লেবুঃ

লেবুতে আছে ডিটক্স ই-ফাইং প্রোপার্টিস যা অতিরিক্ত চর্বি ঝরিয়ে ফেলতে কাজ করে এবং হজম প্রক্রিয়াকে বৃদ্ধি করে খুব দ্রুত স্লিম করতে সহায়তা করবে।

নিয়মিত সঠিক নিয়মে ব্যায়াম করতে পারলে ওজন এবং পেটের মেদ দূর করা সম্ভব। পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাসে কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। একবারে পেট ভরে বেশি খাবার না খেয়ে অল্প অল্প করে নিয়ে পাঁচ ছয়বারে খাবেন। খাবার খাওয়ার আধা ঘণ্টা পরে জল খাবেন। রাতের খাবার সাড়ে ৮টার মধ্যে শেষ করতে হবে অথবা ঘুমানোর দুই ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করতে হবে। এগুলোর পাশাপাশি নিয়মিত ব্যায়াম করলে ওজন এবং পেটের মেদ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। মেয়েদের ওজন কমানোর উপায় হিসাবে এই ব্যায়াম গুলো সাহায্য করবে। মেয়েদের ওজন কমানোর উপায় জানা থাকলে সহজেই নিজেকে স্লিম করতে পারবে। ওজন বেড়ে গেলে আড়ালে আবডালে শুনতে হয় তুমি বেশ মুটকি হয়ে গেছ। বন্ধু বান্ধবীরা যখন তখন খোঁচা মারে।

চরম বিরক্ত আপনি এ অবস্থার অবসান চান। তবে পথটা জানা নেই। পুষ্টিবিদদের মতে, ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চে ডায়েটের দিকে খেয়াল রাখলেও বিকেলের দিকেই আমরা মূলত অস্বাস্থ্যকর খাবারের দিকে ঝুঁকি। ভাজাভুজি, ফুচকা, চাট, ভেলপুরি এই সময় আমাদের টানে! বাইরের খাবার এ থাকে অত্যাধিক মাত্রায় তেল মশলা। আজে বাজে তেল দিয়ে বা সস্তার তেল দিয়ে রান্না হয়ে থাকে। তাই বাইরের খাবার বেশি খাওয়াও উচিত না।  তাতে আপনি দিনে দিনে মোটা তো হবেনই তাছাড়া অন্যান্য শারীরিক প্রবলেম দেখা দিতে পারে। সত্যিই কি ফুচকা, চাট, ভেলপুরি অস্বাস্থ্যকর? ডায়েটিশিয়ান ও চিকিৎসকদের মতে, এই সব খাবারের উপাদান পুষ্টিকর হলেও রাস্তাঘাটের ধুলাময়লা, হাইজিনের অভাবে শরীর খারাপ হতে পারে।

1. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ওজন বৃদ্ধি পায় এমন খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা। বিশেষ করে চিনি এবং অতিরিক্ত ক্যালরিযুক্ত খাবার। যখন আপনি ওজন কমাতে চাইবেন, তখন আপনার ক্ষুধার মাত্রা নিচে নামিয়ে আনুন। আপনার শরীরে জমে থাকা চর্বি কমাতে কাজ করুন। চর্বি কমানোর অন্যতম ভালো উপায় হলো জল পান করা। বিশেষ করে হালকা গরম জল । বেশি করে জল  খাওয়ার ফলে আপনার কিডনি ভালো থাকবে। এটি পেট মোটা হওয়া কমাবে।

এ পদ্ধতি অবলম্বন করলে প্রথম সপ্তাহে ১০ পাউন্ড বা তারও বেশি ওজন কমানো সম্ভব। এতে আপনার প্রত্যাশা অনুযায়ী ওজন কমবে। এর ফলে আপনার কম ক্যালরিযুক্ত খাবারে অভ্যাস তৈরি হবে। সেটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালিয়ে নিতে পারবেন। চর্বি কমানো এ পদ্ধতি সহজভাবেই আপনাকে ওজন কমাতে সাহায্য করবে। সবচেয়ে বড় কথা শর্করাজাতীয় খাবার এবং স্টেক খাওয়া কমিয়ে দিতে হবে।

2. খাদ্যাভ্যাসে কিছু পরিবর্তন আনুন। আপনার খাদ্যতালিকায় এমন খাবার যুক্ত করুন যাতে আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করে। আপনার খাবারের তালিকায় একটি প্রোটিনযুক্ত খাবার, একটি চর্বিযুক্ত এবং সবুজ শাকসবজি রাখুন। পুষ্টির এ উপকরণগুলো রেখে প্রতিদিন ২০ থেকে ৫০ গ্রাম রাখুন। আপনার খাবারের তালিকার প্রোটিনের উৎসগুলোও রাখুন। এগুলো হলো গরু ও মুরগির মাংস, চিংড়ি, সামুদ্রিক মাছ এবং ডিম। ওজন কমানোর সময় প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন খাওয়া উচিত না।

উচ্চ প্রোটিন আছে এমন ৬০ শতাংশ খাবার বাদ দিলে আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করবে। রাতে ঘুমানোর আগে কম ক্যালরিযুক্ত খাবার খেতে হবে। এ পদ্ধতি অবলম্বন করে ওজন কমালেও একটি জিনিস আপনাকে মানতে হবে। প্রোটিন হলো পুষ্টির রাজা। ফুলকপি, টমেটো, পাতাকপি, লেটুস পাতা, শসা ইত্যাদি কম কার্বনযুক্ত সবজি। আপনি কম কার্বনযুক্ত উপকরণ দিয়ে প্লেট ভর্তি করে ফেলেন। এ উপকরণগুলো দিয়ে প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণ খাবার খেলেও ওজন বাড়বে না। মাংস, মাছ, সবজি, ভিটামিন এবং খনিজ খেলে আপনার শরীর ভালো থাকবে। প্রতিদিন আপনি ৫ থেকে ৬ বার খাবার খান। যখনই আপনি নিজেকে ক্ষুধার্ত মনে করবেন, তখনই খাবার গ্রহণ করুন। ওজন কমাতে চাইলেও আপনি চর্বি খেতে ভয় পাবেন না। সবচেয়ে বড় কথা হলো, প্রতিদিন আপনার খাবারের তালিকায় পরিপূর্ণ পুষ্টি উপকরণ রাখুন।

3. ব্যায়াম করতে পারেন। এটি খুবই কার্যকর। সপ্তাহে আপনাকে দুই থেকে তিনবার জিমে যেতে হবে। শুধু গিয়ে বসে থাকলে হবে না। আপনাকে ওজন কমানোর জন্য উপযুক্ত ব্যায়ামগুলোও করতে হবে। যদি জিমে নতুন যাওয়া শুরু করেন তাহলে প্রথম দিনেই কষ্টকর ব্যায়াম করা উচিত নয়। এতে উল্টো ফল হতে পারে। তাই

লেবু দিয়ে ওজন কমানোর উপায়

ঝটপট ওজন কমাতে চান? ওজন কমানোর উপায় লেবু, তাহলে পান করুন এই জাদুকরী ২ টি পানীয় –

পানীয় – ১

উপকরণ – ১ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়ো – ১ চা চামচ লেবুর রস – ২ চা চামচ মধু – ১ কাপ/ ২৩৭ মিলি লিটার জল।

পদ্ধতি ও ব্যবহারবিধি – প্রথমে জল ফুটিয়ে নিন।

এরপর একটি গ্লাসে দারুচিনি গুঁড়ো রেখে ফুটন্ত জল তাতে ঢেলে দিন। এরপর গ্লাসে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রেখে দিন।  জল পানের যোগ্য গরম হলে অর্থাৎ কিছুটা ঠাণ্ডা হয়ে এলে এতে মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে দিন। ফুটন্ত গরম জলে মধু মেশাবেন না। এতে মধুর গুণ নষ্ট হয়।  এরপর এই পানীয়ের অর্ধেকটা পরিমাণ রাতে ঘুমানোর আগে পান করে বাকি অর্ধেকটা ফ্রিজে রেখে দিন। সকালে উঠে খালি পেতে বাকি অর্ধেকটা পান করে নিন। সকালে নতুন করে পানীয়টি গরম করার প্রয়োজন নেই। – এভাবে নিয়মিত এই পানীয়টি পান করতে থাকুন। ব্যস, দেখবেন ওজন কমা শুরু করবে।

পানীয় – ২

উপকরণ –  ১ টি মাঝারি আকারের আপেল – ৪৮৮ গ্রাম গাজর – ১ ইঞ্চি পরিমাণে আদা – ১ টি গোটা লেবুর রস

পদ্ধতি ও ব্যবহারবিধি – আপেল, গাজর ও আদা কুচি করে ব্লেন্ড করে নিন। – এরপর এতে মেশান লেবুর রস। – দিনে ১ গ্লাস করে পান করুন এই পানীয়টি। – কিছুদিনের মধ্যেই ফলাফল পেয়ে যাবেন।

শেষ কথা

ওজন, হ্যা অনেক টাই সাংঘাতিক ব্যাপার এখন কার যুগে অর্থাৎ ওজন বেড়ে গেলেও আমরা অনেকেই অনেক দুশ্চিন্তায় থাকি আবার ওজন কমে গেলেও অর্থাৎ রোগা হয়ে গেলেও অনেকটাই সমান পরিমানে আমাদের দুশ্চিন্তায় হয় ।কিন্তু এর জন্য অন্য কেউ দায়ী নন। আমাদের জন্য আমরাই দায়ী। লেখাটা পুরোটাই পড়লে বুঝতে পারবেন। আরএই সমস্যার জন্য আমরাই আমাদের সমাধান। না বেশি কিছু করতে হবে আপাতত আমাদের অহং কমানোর জন্য যেইগুলো করা প্রয়োজন সেই সব আপনাকে করতে হবে তাহলেই দেখবেন আপনারা অনেকটাই  সফল হবেন। আর সত্যি কথা বলতে সব কিছুই হচ্ছে আমাদের জেদ এর ওপর সেটা হল আমাকে করতেই হবে ব্যাস। ভালো থাকবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.