স্বাস্থ্য

কালোজিরার স্বাস্থ্য উপকারিতা অপরিসীম।Razuaman.com

কালোজিরার স্বাস্থ্য উপকারিতা অপরিসীম। ব্ল্যাকবেরি ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া মারা থেকে শুরু করে শরীরের কোষ এবং কলা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ব্ল্যাকবেরি শুধু স্বাস্থ্যের জন্যই নয়, চুল ও ত্বকের জন্যও ভালো। প্রত্যেকের রান্নাঘরে ব্ল্যাকবেরি থাকে যা খাবারকে সুগন্ধী করে তোলে। আসুন আজ জেনে নিই কালোজিরার বিস্ময়কর বীজের উপকারিতা।

স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি:

এক চা চামচ পুদিনা পাতার রস বা কমলার রস বা এক কাপ রঙ চায়ের সাথে এক চা চামচ কালোজিরার তেল মিশিয়ে নিয়মিত দিনে তিনবার পরিবেশন করুন। যা দুশ্চিন্তা দূর করে। এছাড়া প্রতিভা বিকাশে কামাররা দ্বিগুণ হারে কাজ করে। কালোজিরা নিজেই একটি অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিসেপটিক। মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। কালোজিরা খেলে আমাদের শরীরে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকে। এতে মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়। যা আমাদের স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

মাথাব্যথা নিরাময়:

১/২ চা চামচ কালোজিরার তেল মাথার ত্বকে ভালোভাবে লাগান এবং এক চা চামচ কালোজিরার তেল সমপরিমাণ মধুর সাথে দিনে তিনবার ২/৩ সপ্তাহ সেবন করুন।

সর্দি সারাতে:

এক চা চামচ কালোজিরার তেলের সাথে সমপরিমাণ মধু বা এক কাপ রঙিন চায়ের সাথে দৈনিক ৩ বার মিশিয়ে মাথায় ও ঘাড়ে মালিশ করুন যতক্ষণ না রোগ সেরে যায়। এ ছাড়া এক চা চামচ কালোজিরার সঙ্গে তিন চামচ মধু ও দুই চা চামচ তুলসী পাতার রস মিশিয়ে খেলে জ্বর, ব্যথা, সর্দি-কাশি উপশম হয়। সর্দি চলে গেলে কপালে কালিজিরা বেটে লাগান। সেই সঙ্গে পাতলা পরিষ্কার কাপড়ে কালিজিরা বেঁধে শুকিয়ে রাখুন, শ্লেষ্মা তরল হয়ে পড়ে যাবে। দ্রুত ফল পেতে বুকে ও পিঠে কালিজিরা তেল মালিশ করুন।

বাতের ব্যথা উপশম:

আক্রান্ত স্থান ধুয়ে পরিষ্কার করে ম্যাসাজ করুন; এক চা চামচ কাঁচা হলুদের রসের সাথে সমপরিমাণ কালোজিরার তেল, একই পরিমাণ মধু বা এক কাপ রঙিন চা প্রতিদিন ৩ বার ২/৩ সপ্তাহ সেব্য।

বিভিন্ন ধরনের চর্মরোগ নিরাময়ে:

আক্রান্ত স্থান ধুয়ে পরিষ্কার করে ম্যাসাজ করুন; এক চা চামচ কাঁচা হলুদের রসের সাথে সমপরিমাণ কালোজিরার তেল, একই পরিমাণ মধু বা এক কাপ রঙিন চা প্রতিদিন ৩ বার ২/৩ সপ্তাহ খান।

হার্টের বিভিন্ন সমস্যার ক্ষেত্রে:

এক কাপ দুধের সাথে এক চা চামচ কালোজিরার তেল প্রতিদিন দুবার 4/5 সপ্তাহ ধরে পান করুন এবং শুধুমাত্র কালোজিরার তেল নিয়মিত বুকে মালিশ করতে হবে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে:

প্রতিদিন সকালে সারা শরীরে কালোজিরার তেল মালিশ করুন এবং অন্তত আধা ঘণ্টা রোদে থাকুন এবং এক চা চামচ কালোজিরার তেল সমপরিমাণ মধুর সঙ্গে সপ্তাহে ২/৩ দিন খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এছাড়াও, কালোজিরা বা কালোজিরার তেল ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে শর্করা কমায় এবং নিম্ন রক্তচাপ বাড়ায় এবং উচ্চ রক্তচাপ কমায়।

হেমোরয়েড নিরাময়:

এক চা চামচ মাখন ও সমপরিমাণ তেল/তিলের তেল, এক চা চামচ কালোজিরার তেল প্রতিদিন খালি পেটে ৩/৪ সপ্তাহ খান।

শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানি নিরাময়ে:

যারা হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টে ভোগেন তাদের জন্য কালোজিরা অনেক বেশি উপকারী। প্রতিদিন খাবার তালিকায় কালোজিরার পেস্ট রাখুন। অ্যাজমা বা শ্বাসকষ্টের সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে কালোজিরা। এ ছাড়া এক কাপ চা-চামচ কালোজিরার তেল, এক কাপ দুধ বা রং চা দিনে ৩ বার।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ:

ডায়াবেটিস রোগীদের রোগ উপশমে কালিজিরা খুবই উপকারী। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক গ্লাস পানির সাথে এক চিমটি কালিজিরা খেলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। এ ছাড়া এক কাপ চা-চামচের সঙ্গে ক্যালেন্ডুলা তেল মিশিয়ে, এক কাপ রঙ চা বা গরম ভাত দিনে দুবার নিয়মিত পরিবেশন করা হয়। যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে শতভাগ কার্যকর।

অনিয়মিত মাসিক ব্যাধির ক্ষেত্রে:

এক কাপ কাঁচা হলুদের রস বা এক কাপ চা-চামচ কালোজিরার তেল সমপরিমাণ গরম চাল ধোয়ার জলের সাথে মিশিয়ে প্রতিদিন ৩ বার সেবন করুন। যা 100% কার্যকর।

করিনিমার দুধ বাড়াতে দুধ দান:
যেসব মায়েদের স্তনে পর্যাপ্ত দুধ নেই, তাদের ওষুধ হল কালিজিরা। মায়েদের প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে দুধের সাথে 5-10 গ্রাম কালিজিরা খেতে হবে। মাত্র 10-15 দিনের মধ্যে দুধের প্রবাহ বাড়বে। এছাড়া এই সমস্যা সমাধানে কালিজিরা ভাতের সঙ্গে ভর্তা করে খেতে পারেন।

ত্বকের যৌবন ধরে রাখে

ব্ল্যাকবেরি ত্বকের গঠন উন্নত করতে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে অপরিহার্য। এতে লিনোলিক এবং লিনোলেনিক নামক প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে যা আপনার ত্বককে পরিবেশের রুক্ষতা, চাপ ইত্যাদি থেকে রক্ষা করে এবং ত্বককে সুন্দর করে এবং ত্বকের যৌবন ধরে রাখে।

* মধু ও কালোজিরার পেস্ট তৈরি করে ত্বকে লাগিয়ে আধা ঘণ্টা বা এক ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেললে ত্বক উজ্জ্বল হবে।

ব্রণের সমস্যা থাকলে আপেল সাইডার ভিনেগারের সঙ্গে কালোজিরা মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। নিয়মিত প্রয়োগে ব্রণ থেকে মুক্তি মিলবে।

* শুষ্ক ত্বকের জন্য কালোজিরার গুঁড়া ও কালোজিরার তেল মিশিয়ে তিলের তেল লাগান। আপনি এক সপ্তাহের মধ্যে লক্ষণীয় পরিবর্তন দেখতে পাবেন।

কারবৃদ্ধি করা। শিশুর নরমের পার্টি এবং স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধিতে অনেক কাজ করে কালোজিরা। দুই বছরের কম বয়সের বাচ্চাদের কালোজিরার তেল সেবন করা উচিত নয়। তবে বাহ্যিকভাবে ব্যবহার করা যাবে।

মাথা ব্যথা দূর করতে:

মাথা ব্যথায় কপালে দুই চিবুক ও কানের বিপরীত পরিবর্তনকে ৩/ তেলজিরা মালিশের বার কালো ব্যবহার পাওয়া যায়।

স্বাস্থ্য ভাল রাখতে:

প্রতিদিন সহ সকাল কালোজিরা মধু স্বাস্থ্য ভালো থাকে ও সকল রোগ মহামারি হতে পাওয়া যায়।

হজম সমস্যায দূরীকরণে:

হজমের সমস্যায় এক-দুই চা-চাচ কালিজিরা বেটে পানির সঙ্গে আমাদের দল। প্রতিদিন দু-তিনবার গুণাবলী একের মধ্যে হজম শক্তি শক্তিশালী হবে। অতিরিক্ত পেট ফাঁপা ভাবও দূর হবে।

লিভার সহায়তা:

লিভারের ব্যবস্থায় ভেষজটি অনন্য। লিভার ক্যান্সারের জন্য ব্যক্তিগত আফল্যাক্সিন নামক বিষটি করে কালিজিরা।

চুল পড়া বন্ধ করতে:

কালিজিরা চান যান, চুল পর্যাপ্ত অনুমোদন। ফলে চুল পড়া বন্ধ হবে। আরো ফল পেতে চুলের গোড়ায় এর তেল মালিশ করতে।

দোয়া ব্যথা দূরীকরণে:

দুঃখে ব্যথা হলে গরম পানিতে কুলি করতে কষ্ট হলে কালোজিরা; জিহ্বা, তালু, মৃত্যুর মাড়ি জীবাণু মরে।

আপনার ঘুমের প্রয়োজন:

কালোজিরা তেল ব্যবহারে রাতভর প্রশান্তিপর্ণ নিদ্রা হয়।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি কালোজিরা:

কালোজিরা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে করে। স্ট্যান্ড কালোজিরা কোড অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সতেজ থাকে। জীবানুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ শক্তি যে শরীরকে প্রস্তুত করে এবং সার্বিকভাবে স্বাস্থ্যের উন্নতি করে। ১ চামচ কালোজিরা অথবা কয়েক ফোটা কালোজিরা তেল ও ১চামচ মধুসহ প্রতিদিন সেবনের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।

কালোজিরায় থাইকুম থাকে যা পারকিনসন্স ও ডিমেনশিয়া গঠনের শরীরে গঠনে কার্যকর টক্সিনের প্রভাব থেকে নিউরনের কাজ করে।

চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে

কালোজিরার তেল চুলের সম্পর্ক ও ফলিকলকে চাঙ্গা করেও যার ফলে নতুন চুল গঠন হয়। এছাড়াও কালোজিরা তেল চুলের গোড়া শক্ত করে ও চুল কমায়।

কিডনির নকশা ও ব্লাডার

২৫০ গ্রাম কালোজিরা ও সমপরিমাণ বিশুদ্ধ মধু। কালোজিরা উত্তম গুড়ো করে মধুর সাথে মিশ্রিত করে দুই চামচানি আধাকাপ গরমপাতে স্থানীয় প্রতিদিন আধাকাপ তেল সহ পান করতে হবে। কালোজিরা টিংচার মধু সহ ৩/৪ বার ১৫ ফোটা সেবন করতে পারেন।

নিরাপদ ব্যথা দূর করতে

রাতের ঘুমোবার আগে আফগানিস্তানে ভুরুতে কালোজিরা তেল মালিশ করুন এবং এককা গাজরের রসের সাথে একমাস কালোজিরা তেল সেবন করুন। প্যাকেজ গাজর প্রশ্ন ও কালোজিরা সেবন আর তেল মালিশে শক্তি হবে। প্রয়োজনে নির্দেশিত হোমও বায়োকেমিক সেবন।

উচ্চারিত

যখনই গরম পানীয় বা চা পান করবেন তখন কালোজিরা কোনভাবে খাবেন। গরমকাল বা ভাততার সময় কালোজিরা ভারতা খান। এ দুইপদ্ধতির সাথে রসুনের সমাধানের সাথে। শক্তি দেহে রসুন ও কালোজিরা তেল মালিশ করুন। কালোজিরা রসুনের তেল, নিমওর ব্যবহার করুন। ভালো মনে করতে স্থানীয় রোগীদের ক্ষেত্রে একাজটি ২/৩ দিন অন্তরেও যায়।

ডায়রিয়া

প্যাকেল খাবার স্যালাইন হোমিও ছাড়াও ১ কাপ দই ও বড় একচামচ কালোজিরা তেল পবিত্র ২ বার

জ্বর :

সকাল-সন্ধ্যা লেবুর রসের সাথে ১ চামচ কালোজিরা তেল পান করুন। কালোজিরা ও লেবুর টীংচার (অ্যাসেটিকঅ্যাসিড) সংমিশ্রণ দিতে যেতে পারে।

 

সকাল রোগের প্রতিষেধক :

প্রতিদিন সহ সাদা কালোজিরা তেল মধু সেবনে স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং সকল মহামারী হতে পাওয়া যায়।

সতর্কতা :

গর্ভাবয় ও দুই বছরের কম বয়সের বাচ্চাদের কালোজিরা তেল স্থাপন করা উচিত নয়। তবে বাহ্যিকভাবে ব্যবহার করা যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.