সমস্যা এবং সমাধানস্বাস্থ্য

কালো জিরার তেল মাথয় দিলে কি হয়? কালোজিরা তেল ব্যবহারের উপকারিতা:

তিলের তেলের সাথে কালিজিরা বাঁটা বা কালিজিরার তেল মিশিয়ে ফোড়াতে লাগালে ফোড়ার উপশম হয়। অরুচি, উদরাময়, শরীর ব্যথা, গলা ও দাঁতের ব্যথা, মাইগ্রেন, চুলপড়া, সর্দি, কাশি, হাঁপানি নিরাময়ে কালিজিরা সহায়তা করে। ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসাবে কালিজিরা সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

পাশাপাশি কালোজিরার তেলে আছে লিনোলিক এসিড, অলিক এসিড, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন,জিংক, ম্যাগনেশিয়াম,ফেলোনিয়াম,ভিটামিন–এ,ভিটামিন–বি,ভিটামিন-বি2,নিয়াসিম ও ভিটামিন–সি।এই তেলের মধ্যে আরো রয়েছে ফসফেট, লৌহ,ফসফরাস,কার্বো–হাইড্রেট ছাড়াও জীবাণু নাশকের বিভিন্ন উপাদান সমূহ।এতে রয়েছে ক্যান্সার প্রতিরোধক কেরোটিন ও শক্তিশালী হরমোন ও প্রস্রাব সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদানসমূহ। এছাড়াও আরো রয়েছে এনজাইম ও অম্লনাশক উপাদান এবং অম্লরোগের প্রতিষেধক।

কালোজিরা তেল ব্যবহারের উপকারিতা:

 কালিজিরার তেল এ প্রাকিতিক শক্তি আছে তাই এটির জন্য কালিজিরার তেল লিঙ্গে মাখলে সহজে বীর্যপাত হয় না এবং লিঙ্গ অনেক বেশি শক্ত হয়.. বিশ্বাস না হলে ট্রাই করে দেখুন।

পুরুষাঙ্গ প্রতিদিন কালিজিরার তেল দিয়ে মালিশ করলে, পুরুষাঙ্গ শক্ত,মোটা হতে পারে।

সবসময় পুষ্টিকর খাবার খান কারন প্রতিদিনের স্বাভাবিক খাবারেই যৌনক্ষমতা ধরে রাখা সম্ভব। আর কিছু সেক্সফুড আছে যা সত্যিই যৌনক্ষমতা বাড়ায় ওগুলো খাবেন।

আসলে লিংগ মোটা করা কিংবা লম্বা করার মত কোনো ব্যাবস্থা এখনো পর্যন্ত তৈরি হয়নি। আপনি যদি লিংগ মোটা করার জন্যে কোনো কিছু করতে চান তাহলে সেটা আপনার জন্যে বিপদ ডেকে আনতে পারে।

কালিজিরার তেলে ১০০টিরও বেশি উপযোগী উপাদান আছে। এতে আছে প্রায় ২১ শতাংশ আমিষ, ৩৮ শতাংশ শর্করা এবং ৩৫ শতাংশ ভেষজ তেল ও চর্বি।

স্বাস্থ্য উপকারিতাঃ

স্বাস্থ্য উপকারিতায় কালোজিরার তেলের অনেক গুণ।কালোজিরা তেলে রয়েছে এন্টিঅক্সিডেন্ট ও ইনফালাম্যাটারি কমপ্লেক্স যা শরীরে বিভিন্ন রকম রোগের বংশবৃদ্ধিতে বাধা দেয়।যেমনঃ

ক্যান্সার:

সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে কালোজিরার তেল নিয়মিত ব্যবহার ব্রেইন ক্যান্সার ও ব্রেস্ট ক্যান্সার সেল জন্মাতে বাধা দেয়।তেলে থাকা থাইকিউমিন প্রোগ্রাম মূলত ক্যান্সার প্রতিরোধে কাজ করে থাকে।

লিভার ও কিডনি কার্যক্রম ঠিক রাখে:

2013সালে এক গবেষণায় উঠে এসেছে যে,কালোজিরার তেল কিডনি ও লিভারের কার্যক্রম ঠিক রাখতে সাহায্য করে।তবে অবশ্যই সেক্ষেত্রে আপনাকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

ডায়বেটিস প্রতিরোধে:

এন্ডোক্রিনলজি এন্ড মেটাবলিজম জার্নালের এক রিপোর্টে প্রকাশ করা হয়।কালো জিরায় থাকা এন্টিডায়বেটিক প্রোপ্রার্টিজ রয়েছে।যা রক্তে থাকা সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

স্বরণশক্তি বৃদ্ধিতে কালোজিরা:

কালোজিরা তেল মস্তিষ্কে সঞ্চালন বৃদ্ধি করে থাকে।ফলে মস্তিষ্কের কার্যক্রমতা বৃদ্ধি পায়।নিয়মিত এক চামচ করে কালোজিরার তেল খেলে সুফল পাওয়া যায়।

মাথা ব্যাথা সারাতে:

কালোজিরার তেল বেশ উপকারি মাথা ব্যাথা সারাতে।কপালের দুই পাশে মালিশ করলে বেশ আরাম পাওয়া যাই।

রূপচর্চায় কালোজিরার তেল:

কালোজিরার তেল চুলের গোড়া শক্ত করে ও চুল পড়া কমায়। ত্বকের গঠনের উন্নতি ও ত্বকের প্রভা বৃদ্ধির জন্য কালোজিরা অত্যাবশ্যকীয়। এতে লিনোলেইক ও লিনোলেনিক নামের এসেনশিয়াল ফ্যাটি এসিড থাকে যা পরিবেশের প্রখরতা, স্ট্রেস ইত্যাদি 

Leave a Reply

Your email address will not be published.