চাকরি

ঢাকা ইপিজেড (EPZ) বিভিন্ন পদে বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ।

ঢাকা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল হল বাংলাদেশের একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল। সংক্ষেপে এটি ঢাকা ইপিজেড, ডিইপিজেড বা সাভার ইপিজেড নামেও পরিচিত। এটি রাজাধানী ঢাকার নিকটে সাভারের আশুলিয়া থানায় অবস্থিত। … ৩৫৬.২২ একর এলাকার ওপর প্রতিষ্ঠিত এই ইপিজেডটি বাংলাদেশের ২য় বৃহত্তম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা।

ঢাকা: বর্তমান সরকার শিল্পখাতের দ্রুত বিকাশের লক্ষ্যে দেশে রফতানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) স্থাপনের মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করাসহ শিল্পখাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা করে আসছে। বাংলাদেশে মোট ৮টি ইপিজেড রয়েছে।

ইপিজেডগুলো চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, ইশ্বরদী, উত্তরা (নীলফামারী), আদমজী ও কর্ণফুলীতে অবস্থিত। ইপিজেডের আওতায় ৪৭০টি শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে মোট ৫ লাখ ১৪ হাজার ২৬২ জনবল রয়েছে। অথচ ২০১৮ সালে মোট জনবল ছিল ৫ লাখ ২০ হাজার ১৩। জনবল কমলেও বিনিয়োগ ৫ শতাংশ বেড়েছে।

বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ইপিজেডের ভূমিকা বেশি। গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল খাতে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ চলমান। গার্মেন্টস, টেক্সটাইল, ছাড়াও রয়েছে নিটওয়্যার, কৃষি ও সেবা সামগ্রী। বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধি অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। বাংলাদেশে রফতানি আয়ের সিংহভাগ আসে গার্মেন্টস থেকে।

বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি রপ্তানি খাত। গার্মেন্টস সেক্টরে বিনিয়োগ সবচেয়ে বেশি ১৮০ কোটি ডলার, যা পূর্ববর্তী বছর থেকে ৫ শতাংশ বেশি। শিল্প প্রতিষ্ঠানে সরকারের বিনিয়োগে গার্মেন্টস খাত এগিয়ে। এছাড়া গার্মেন্টস আনুষঙ্গিকে ৬৬ দশমিক ৮, টেক্সটাইলে ৬৬ ও নিটওয়্যারে ৩১ দশমিক ৫ কোটি ডলার রপ্তানি আয় হয়েছে। শ্রমিক কমলেও বেড়েছে রফতানি আয়।

ঢাকা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল


উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ঢাকা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল হল বাংলাদেশের একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল। সংক্ষেপে এটি ঢাকা ইপিজেড, ডিইপিজেড বা সাভার ইপিজেড নামেও পরিচিত। এটি রাজাধানী ঢাকার নিকটে সাভারের আশুলিয়া থানায় অবস্থিত।[১] এই রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলটি ১৯৯৩ খ্রিষ্টাব্দে স্থাপিত হয় এবং ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দে এতে আরো একটি সম্প্রসারিত অঞ্চল যুক্ত করা হয়। ৩৫৬.২২ একর এলাকার ওপর প্রতিষ্ঠিত এই ইপিজেডটি বাংলাদেশের ২য় বৃহত্তম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা।

পরিচ্ছেদসমূহ


১ অবস্থান
২ প্রদত্ত সুযোগ-সুবিধা
৩ শিল্প প্রতিষ্ঠান
৪ উত্পাদিত পণ্য
৫ রপ্তানি
৬ আরও দেখুন
৭ তথ্যসূত্র
৮ বহি:সংযোগ

অবস্থান


এই ইপিজেডটি ঢাকা শহর থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে ঢাকা জেলার অন্তর্গত সাভার উপজেলার আশুলিয়া থানার গণকবাড়ি এলাকায় অবস্থিত। এটি ঢাকার হযরত শাহজালাল (রা.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ২৫ কিলোমিটার ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৩০৪ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত।[১]

প্রদত্ত সুযোগ-সুবিধা


এটি একটি শুল্কমুক্ত এলাকা যেখানে সম্পূর্ণ শুল্কমুক্তভাবে কাঁচামাল আমদানী করতঃ উৎপাদিত পণ্য সম্পূর্ণ শুল্কমুক্তভাবে বিদেশে রপ্তানী করা যায়।[২] শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোতে সরবরাহের জন্য এখানে ‘বেপজা’ কর্তৃপক্ষের নিজেস্ব ব্যবস্থাপনায় পানি সরবরাহ ব্যবস্থা ও নিজস্ব পাওয়ার প্লান্ট এবং ১১ কেভির একটি সাব স্টেশন রয়েছে; এছাড়াও তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ এখানে জ্বালানী হিসাবে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করে থাকে।[১]

শিল্প প্রতিষ্ঠান

এখানে কলকারখানাগুলোতে তিন ধরনের বিনিয়োগ আছে:

শতভাগ বিদেশী পুজিঁ
বিদেশী ও দেশী পুজিঁর যৌথ বিনিয়োগ এবং
শতভাগ দেশীয় পুজিঁ।
এই ইপিজেডে সর্বমোট শিল্প-প্লটের সংখ্যা ৪৫১ টি।[১]

রপ্তানি

২০১২-১৩ অর্থবছরের ইপিজেডগুলো থেকে মোট ৪,৮৫৬.৬৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের[৩] পণ্য রপ্তানী করা হয় যা মোট জাতীয় রপ্তানীতে প্রায় ১৮ শতাংশ এবং এসময় ঢাকা ইপিজেড থেকে মোট ১,৭৮০.৭৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য বিদেশে রপ্তানি করা হয়েছে।[৪] ২০১৩-১৪ অর্থবছরে মোট ৫,৫২৫.৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার[৩] মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে ইপিজেডগুলো এবং ঢাকা ইপিজেড থেকে রপ্তানি হয়েছে ১,৭৮০.৭২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য।[৫]

বিগত ৬ বছরে বেপজা বিনিয়োগে ১২৯.৫৫%, রপ্তানিতে ১৫৫.৯৫% এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে ১১২.৩০% প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।[৬]

Leave a Reply

Your email address will not be published.