পল্লী বিদ্যুৎ

পল্লী বিদ্যুৎ সংযোগ ২৮ দিনের মধ্যে দেবে সরকার আবেদনের মাধ্যমে।

আবেদনের মাধ্যমে। সশরীরে আবেদনপত্র নিয়ে বিদ্যুৎ সংস্থাগুলোর কাছে দৌড়াতে হবে না ব্যবসায়ীদের। আগামী এক মাসের মধ্যে এ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ বিতরণকারী চারটি কোম্পানির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করেছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)। এ সমঝোতার আওতায় বিদ্যুৎ বিতরণকারীদের বিদ্যুৎ–সংযোগসংক্রান্ত সেবা পাওয়া যাবে বিডার ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার (ওএসএস) থেকে।

বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি), নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি এবং ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির সঙ্গে এই সমঝোতা স্মারক সই হয়। এর আগে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ও ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানির (ডেসকো) সঙ্গে বিডার সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল।

অনুষ্ঠানে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম, বিদ্যুৎসচিব সুলতান আহমেদ, ডিপিডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকাশ দেওয়ান, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মইন উদ্দিন, নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাকিউল ইসলাম, ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শফিক উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বর্তমান সময়ে এই তথ্য প্রযুক্তির যুগে যন্ত্রপাতির ব্যবহার অনেক গুন বেড়ে গেছে এই যন্ত্রপাতির বেশীরভাগ পরিচালনার জন্য প্রয়োজন বিদ্যুতের।বিদ্যুত ছাড়া এসব ঠিকমত ব্যবহার করতে পারবো না।বর্তমানে খুব সহজেই অনলাইনে বিদ্যুতের জন্য আবেদন করা যায়।

আবেদন করার পর কতৃপক্ষ খুটি থেকে বাড়ির দুরত্ব মেপে নতুন খুটি লাগলে খুটির জন্য আবেদন করতে বলবে।এরপর সব ঠিকঠাক থাকলে নতুন লাইনের জন্য ওয়্যারিং শুরু করে দিবে এবং

আবেদন করার নিয়মঃ

www.rebpbs.com ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে আবেদন অপশনে ক্লিক করুন। ক্লিক করার পর একটি ফরম আসবে সেখানে আপনার এলাকার বিদ্যুত সমিতির নাম, জোনাল অফিস, সংযোগ ট্যারিফ এসব তথ্য দিতে হবে।এরপর আবেদনকারীর বিররনে আবেদনকারীর নাম, পিতার নাম,মাতার নাম,এনআইডি নাম্বার,মোবাইল নাম্বার আপনার ঠিকান এসব তথ্য পুরন করতে হবে।

এরপর নিকটস্থ খুঁটি থেকে আপনার বাসার দূরত্ব কত মিটার তা দিতে।ট্রান্সফর্মারের নিকটবর্তী গ্রাহকের বই নাম্বার ও হিসাব নাম্বার দিতে হবে।সর্বশেষ আপনার এক কপি ছবি,জমি খারিজের ছবি ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি দিয়ে এর পর সাবমিট করতে।

আবেদন সম্পন্ন হলে আবেদনপত্রটি ডাউনলোড করে নিন।খুঁটি দুরত্ব মাপার পর অনুমতি পেলে আপনার মোবাইল নাম্বারে ফি এর পরিমান জানিয়ে দিবে অথবা ওয়েবসাইট প্রবেশ কর ট্র্যাকিং নাম্বার ও পিন দিয়ে আপনার কাজের অগ্রগতি চেক করতে পারেন।

আবেদন করার প্রয়োজনীয় বিষয়াবলীঃ

আবাসিক সংযোগের ক্ষেত্রেঃ
১) আবেদন করার সময় ছবি, জাতীয় পরিচয় পত্র ও সংযোগস্থলের খারিজের স্ক্যান কপি সংযুক্ত করতে হবে।
২) সার্ভিস ড্রপের দুরত্ব (সংযোগস্থল হইতে সার্ভিস পোলের দুরত্ব)১৩০ ফুটের মধ্যে হতে হবে।
৩) সঠিক ভাবে মেপে সার্ভিস ড্রপের দুরত্ব প্রদান করুন। সার্ভিস ড্রপের দুরত্ব সঠিক না হলে তারের দির্ঘ্য কম/বেশি পারে। ভুল তথ্য দিলে পরবর্তীতে সংযোগ পেতে বিলম্ব হতে পারে।
৪) মোট লোড ৫০ কিলোওয়াট এর বেশি হলে এইচটি সংযোগের নিয়মাবলী প্রযোজ্য হবে।
৫) অনলাইনে সার্ভে করার পর প্রয়োজনীয় অর্থ (আবেদন ফি, মেম্বারশীপ ফি ও নিরাপত্তা জামানত) জমাদানসহ সকল নির্দেশনা এসএমএস এর মাধ্যমে জানানো হবে।
৬) আবেদন ফরমের লাল(*) চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলো অবশ্যই পূরন করতে হবে।
৭) আবেদন পত্রে গ্রাহকের নিজস্ব মোবাইল নম্বর প্রদান করুন।
৮) আবেদনের পর প্রাপ্ত ট্র্যাকিং আইডি এবং পিন নম্বর অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে।
৯) সংযোগের অর্থ ডাচবাংলা ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং (রকেট) এর মাধ্যমে পরিশোধ করা যাবে।

বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি তে কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের প্রকৃত নাগরিকদের নিকট হতে অন-লাইনে দরখাস্ত আহবান করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.