উৎসব

প্রেমিক জ্বীন ও একটি মেয়ের সত্যিকারের কাহিনী ….

নদীর পাশে একটি ছোট মসজিদ ছিল। যেখানে সেই ছেলে অন্যান্য ছেলে- মেয়েদের সাথে কুরআন পড়তে আসত। কিন্তু কেউ জানত না যে, সেই ছেলেটি হচ্ছে একজন জিন। সব ছেলে মেয়েদের মধ্যে সারতি নামের একজন মেয়ে কুরআন পড়তে আসত।

নদীর পাশে একটা ছোট মসজিদ ছিল যেখানে সেই ছেলে অন্যান্য ছেলেমেয়েদের সাথে কুরআন পড়তে আসত কিন্তু কেউ জানত না ।যে সেই ছেলেটি হচ্ছে একজন যে সব ছেলেমেয়েদের মধ্যে সারথি নামের একজন মেয়ে কোরআন পড়তে আসত একদিন ইমাম সাহেবদের ছেলেটিকে জিজ্ঞেস করে বসলেন বাবা আর কোথা থেকে মসজিদের কোরআন পরতে আসলে ছেলেটি বলে ইমাম সাহেব আমি সামনের পাহাড়ের ওপর দিয়ে একটি গ্রাম রয়েছে। সেখান থেকে আমি কোরান পড়তে আসে আপনি অনেক সুন্দর ভাবে কোরআন পড়া

এজন্যই আমি প্রতিদিন আপনার কাছে কোরআন শিখতে আসে ইমাম সাহেব ছেলেটির কথা শুনে তাকে আর কোন কিছু জিজ্ঞাসা করার প্রয়োজন অনুভব করেননি ।সেই ছেলেটি প্রায় দুই বছর ধরে কোরআনে সেজদা করতে থাকে এ দুই বছরে একদিন সে অনুপস্থিত ছিল না আর এদিকে শারদীয় মসজিদে এসে কোরআনেরও করতে থাকে আর তাই ধীরে ধীরে সে জেনেটিক শব্দের প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ে কেনই বা সে দুর্বল হবে না যদি দেখতে অনেক সুন্দর ছিল দুপুরে পদার্পণ করেছিল একপর্যায়ে ছেলে টি কোরআন হেফজ করে ফেলে আসা রতিও সম্পূর্ণ কোরআন হেফজ করে ফেলেন

এরপর সারাদিন ওসিদের কুরআন পড়তে আসা ছেড়ে দেয় কিন্তু ছেলেটি তখন মসজিদে কোরআন পড়তে আসত ইমাম সাহেব বাচ্চাদের কোরআন পড়া ছিলেন তখন সেই গেমটি ঘরে প্রবেশ করে কিন্তু আর বের হয় না তাই ইমাম সাহেব সে ঘরে প্রবেশ করে ছেলেকে দেখতে যান তিনি সে ঘরে গিয়ে দেখেন সেখানে কেউ নেই এমনটা কয়জন হতে থাকে তখন ইমাম সাহেব ছেলেটিকে সন্দেহ করতে থাকেন এরপর সেই ছেলেটি মাগরিবের সময় আসে অজু করে এবং নামাজের প্রস্তুতি নেন ইমাম সাহেব ছেলেটির উপর নজরদারি করা শুরু করেন নামাজ শেষে ছেলেটিকে ইমাম সাহেব খুঁজতে থাকেন

কিন্তু তার সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয় তিনি নামাজ শেষে বাইরে বের হলে ছেলেটিকে খুঁজে পাননি ইমাম সাহেবের সন্দেহ এবার বিশ্বাসে পরিণত হয় তিনি বুঝতে পারেন এটা অন্য কোন ব্লগ এরপর থেকে আর কেউ ছেলেটিকে কখনোই নামাজ পড়তে দেখে নিন আর এদিকে এরশাদের বয়স প্রায় 17 বছর হয়ে গেছে একদিন সাধারণ গুননীয়ক পাহাড় দিয়ে চলে যায় তখন সে ছেলেটিকে দেখেঃ দেশের জাতীয় মসজিদে কুরআনখানি থেকে দেখে সত্যিই অনেক ভয় পেয়ে যায়

ছেলেটির দিকে আসছিল কিন্তু ছাগলগুলো নিয়ে অন্য দিকে চলে যায় সেখানে ছেলেটির হাজির হতে এই বাতাবরণের গ্রামের দিকে আসতে থাকে আর ঠিক তখনই বৃষ্টি শুরু হয়ে যায় আর চারদিক অন্ধকার হয়ে থাকে সাগরগুলোর তার থেকে আলাদা হয়ে যায় এরপর সেই ছেলেটির কাছে এসে বলে তুমি এত টেনসন করছো কেন উত্তর সারাটি বলে আমার ছাগলগুলো কোথায় যেন চলে গেছে কিন্তু

এদিকে সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসছে এটা শুনে ছেলেটি বলে সারাদিন আমার সাথে এসো আমরা দুজনে মিলে তোমার ছাগলগুলো খোঁজ করব সারাতে অনিচ্ছাসত্ত্বেও সেই ছেলেটির সাথে যেতে রাজি হয় হঠাৎ করে সারাতে খেয়াল করে অসাধারণ সুন্দর একটি জায়গায় রয়েছে আর তা ছাগলগুলো সেখানে রয়েছে সেখানে কোনো বৃষ্টি নেই অন্ধকার বলে ঐ এলো এবার আমাকে বাড়িতে ফিরতে হবে যখন সে সেখান থেকে বের হয় তখন অনেক মানুষ হতে থাকে আর এই জন্যই তার চোখের উপরে হাত রাখে সবসময় বাতাস থেমে যায় যখন সে তার চোখ খুলে তখন সে দেখে সে তার বাড়ীর দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছে

সারাদিন ছাগলগুলো বাধার পরে খাবার খায় সে নিজের ঘরে চলে যায় তখন সে খেয়াল করে অদ্ভুত রকমের আলো দেখা যাচ্ছে আলু গুলো দেখে মনে হচ্ছিল হতথ টিউব লাইট জ্বলছে এটা দেখে অনেক ভয় পেয়ে যায় এরপর সে তার মাকে ডেকে বলে প্রখর আলো আসছে তার মা উত্তরে বলে কি বলছো এসব কোথা থেকে আসবে যখন সারাদিন মাতার ঘরে আসে তখন সেই ঘর এই সেই আলওয়ার ছিল না তাই তিনি বলেন সারারাত তোমার কি হয়েছে আলো কোথায় ওরে তো শুধুমাত্র হারিকেন চলছে

যা কিনা প্রতিদিন জলে এর প্রতি কিছুটা ভয় পেয়ে যায় সে মনে মনে ভাবতে থাকে কিছু না কিছু একটা ঘটে এরপর কিছুদিন পর হয়ে যায় ছাগলগুলো নিয়ে পড়তে যায় আর সেই ছেলেটি প্রতিদিন সাথে সাথে দেখা করতে একদিন সারাদিন এখন উনার দিকে আসছিল তখন খুব জোরে বৃষ্টি হতে শুরু করল 727 ছাগলগুলো বৃষ্টিতে ভিজে গেল কিন্তু সারাতে কৃষ্ণ নাম সাথে যখন বাড়িতে প্রবেশ করে তখন সে এটা দেখে অবাক হয়ে যায় তারপর একটু ভেজে নিন এর পেছনেই রহস্য লুকিয়ে রয়েছে

এ সম্পর্কে সারাদিন কারো সাথে কোন কথা বলেন এই সারদি যখন নিজের ঘরে প্রবেশ করে তখন সে দেখতে পায় তার ঘরে আগের মতোই আলো ছিল আর আজকে তার ঘরে সুগন্ধ যখন সামনের দিকে তাকায় তখন সে দেখতে পায় টেবিলের উপরে গরম এবং সুস্বাদু খাবার রাখা হয়েছে এটা দেখে সে তার মায়ের ঘরে যায় আর তার মাকে জিজ্ঞাসা করে আমি জানি আমার ঘরে কি খাবার এক্ষেত্রে তার মা উত্তরে বলে আমি তো কিছুক্ষণ আগে তোমার ঘর থেকে আসলাম তেমন কিছুই তো তোমার ঘরে দেখি নি এরপর যখন শরতের বাবা-মা

Leave a Reply

Your email address will not be published.