মেহেদি

মেহেদি পাতার রস মাথায় দিলে কি হয়-R-A

সম্মানিত ভিজিটর আশা করি ভাল আছেন । যে বিষয়ে কথা বলব সেটি হচ্ছে মেহেদি পাতার রস মাথায় দিলে কি হয় । আমরা অনেকেই মেহেদী আঙ্গুলে মাথায় দেই কেন । সম্মানিত ভিজিটর কেউ কেউ আবার জানেনা যে মেহেদী মাথায় দেওয়া যায়। মেহেদি মাথায় দিলে কি রকম উপকার । সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাবো আমাদের সাথে থাকুন ।

মেহেদি পাতা পরিমাণ মতো পিষে নিয়মিত প্রতি সপ্তাহে একবার ব্যবহারে মাথার ত্বক থেকে খুশকি দূর করবে। খুশকি দূরের জন্য মেহেদি পাতার সঙ্গে ৩ থেকে ৪টি আমলকি পিষে মাথার ত্বকে লাগিয়ে আধা ঘণ্টা রেখে দিলে খুশকি দূর হবে এবং চুল মজবুত হবে।

মেহেদি পাতার রস মাথায় দিলে কি হয়

চুলে মেহেদি লাগানোর উপকারিতা কী? মেহেদি লাগানোর টিপস এবং মেহেদি লাগানোর নিয়ম জেনে নিন!

সুন্দর, স্বাস্থ্যোউজ্জ্বল চুলের পাশাপাশি মেহেদী মাথা ঠাণ্ডা রাখতেও বেশ কার্যকরী। সৌন্দর্য বিশেষজ্ঞদের মতে, তীব্র রোদ, ধুলো-বালি ও ত্বকের ঘামের কারণে চুলের ভঙ্গুরতা তৈরি হয়। চুল উজ্জ্বলতা হারায়। সৃষ্টি হয় খুশকির। চুলের এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে চুলে মেহেদী ব্যবহার করা জরুরি।

চুলে মেহেদি লাগানোর উপকারিতা ?

 চুল রাঙাতে:

কোন ক্ষতি ছাড়াই চুল রাঙাতে চাইলে মেহেদীর কোন বিকল্প নেই। কারণ মেহেদিতে নেই ক্ষতিকারক অ্যামাইনো অ্যাসিড। কেমিক্যালভিত্তিক হেয়ার কালারে চুল পর্যাপ্ত আর্দ্রতা হারিয়ে নিস্তেজ হয়ে পড়ে। তাই চুল ভালো করে রাঙাতে দুই টেবিল চামচ শুকনো আমলকি, এক চা-চামচ ব্ল্যাক টি ও দুটি লবঙ্গ পানিতে মিশিয়ে সিদ্ধ করুন। পানি ভালো করে ঘুটে নিন। এর সঙ্গে মেহেদি পেস্ট মিশিয়ে নিন। কমপক্ষে দুই ঘন্টা পর চুলে লাগান। মুহূতেই মিলবে রাঙা চুলমাথার তালুর চুলকানি দূর করতে:
মেহেদির সঙ্গে আমলা পাউডার মিশিয়ে হেয়ার প্যাক তৈরি করুন। এটি মাথার তালুর অ্যালার্জি ও চুলকানি দূর করবে

চুলের বৃদ্ধি দ্রুত করতে:
মেহেদির ভেষজ গুণ চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে।

 কন্ডিশনার হিসেবে:

কন্ডিশনার হিসেবে মেহেদীর তুলনা নেই। মেহেদী চুলের উপর একটি প্রতিরোধক স্তর তৈরি করে,যা চুলকে ভেঙ্গে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। নিয়মিত ব্যবহারে চুল প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা ধরে রাখতে পারে। এতে চুল হয় উজ্জ্বল ও দ্বিগুণ শক্তিশালী। কন্ডিশনার হিসেবে যদি মেহেদী ব্যবহার করতে চান, তবে চুলে শ্যাম্পু করার পর মেহেদি ব্যবহার করুন।কেন চুলে মেহেদি লাগাবেন?  চুলের উজ্জ্বলতা বাড়াতে:
মেহেদি চুলে নিয়ে আসে জৌলুস। মেহেদির সঙ্গে ডিম ও তেল মিশিয়ে চুলে লাগান। আধা ঘণ্টা পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চুল হবে ঝলমলে ও সুন্দর।

শ্যাম্পু হিসেবে:
মেহেদির প্যাক ব্যবহার করলে আলাদা করে শ্যাম্পু ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। কারণ মেহেদি প্রাকৃতিকভাবে পরিষ্কার করে চুল।

চুলের গোড়া মজবুত করতে:
মেহেদি চুলের গোড়া শক্ত করে চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে। তবে খুব ঘন ঘন মেহেদি লাগাবেন না। এতে চুল রুক্ষ হয়ে যেতে পারে। স্বাস্থ্যজ্বল চুল পেতে:

মাসে অন্তত ২ বার চুলে মেহেদী ব্যবহার করুন। এতে চুল হবে স্বাস্থ্যজ্জ্বল ও সুন্দর। চুল ফিরে পাবে হারানো জৌলুস। তবে তার জন্য মেহেদী শুধু পেস্ট করে লাগালেই হবেনা। তার জন্য বিশেষ একটি কৌশল অবলম্বন করতে হবে। আমলকি মেশানো পানিতে দুই ঘণ্টা মেহেদী পাতা ভিজিয়ে রেখে পিষে নিন। এবার মাথার তালুসহ চুলে লাগান। যদি প্যাকেটের গুড়ো মেহেদী ব্যবহার করতে চান, তবে তার সাথে আমলকির পানি দিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এবার দুই ঘন্টা রেখে তারপর ব্যবহার করুন।  খুশকি তাড়াতে:

খুশকির সমস্যায় কম বেশি সকলেই পরে থাকেন। এই নিয়ে বেশ হীনমন্যতায় ও পরেন অনেকে। এই সমস্যার সমাধান করবে মেহেদী। মেথি সারারাত ভিজিয়ে রেখে পরের দিন বেটে নিন। পরিমাণ মত সরিষার তেল গরম করে এতে মেহেদী পাতা ফেলে দিন। ঠাণ্ডা হলে এই তেলে মেথি বাটা দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি চুলের গোঁড়ায় মাথার ত্বকে লাগান। ২ ঘণ্টা পরে চুল ধুয়ে ফেলুন। খুশকি মুক্ত হবে চুল খুব দ্রুত।

 চুলের ঘনত্ব বৃদ্ধি করতে মেহেদী:
ঘন কালো উজ্জ্বল চুল পেতে কার না মন চায়। কিন্তু আবাহাওয়ার বিরূপ অবস্থা এবং কাজের ব্যস্ততার জন্য চুলের দিকে খেয়াল রাখার সময় হয় না কারোরই। কিন্তু মেহেদী পাতা ব্যবহারে খুব সহজেই পেতে পারেন স্বাস্থ্যোউজ্জ্বল ঘন কালো চুল।

আরো পড়ুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.