Uncategorizedছোট শিশুর খাবার

শীতে শিশুর জন্য বিপজ্জনক ৫ খাবার 2022

শীতকালে শিশুর প্রতি নিতে হয়ে বাড়তি যত্ন। ঠান্ডা আবহাওয়া শিশুর কোমল শরীরে প্রভাব ফেলে। এ সময় শিশুরা জ্বর, ঠান্ডা, কাশি, গলাব্যথা, কানে সংক্রমণসহ ত্বকের বিভিন্ন সমস্যায় ভুগে থাকে।

এজন্য শীতে শিশুকে যেমন গরম রাখতে হবে; ঠিক তেমনই তাদের সুরক্ষায় খাবারের প্রতিও নজর দিতে হবে। কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো শীতে খাওয়ালে শিশুর স্বাস্থ্যে খারাপ প্রভাব ফেলে। শিশুদের অসুস্থতা কমাতে জেনে নিন কোন খাবারগুলো শীতকালে শিশুদের দেবেন না-

শিশুরা মিষ্টিজাতীয় খাবার খেতে পছন্দ করে। এ খাবারগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। আইসক্রিম, কোল্ড ড্রিঙ্কস, চকোলেট, ক্যান্ডি থেকে শিশুদের দূরে রাখুন।

দুগ্ধজাতীয় খাবার মিউকাস ঘন করে। এতে শিশুদের গলায় সমস্যা দেখা দেয়। শীতকালে শিশুদের দুগ্ধজাত খাবার থেকে দূরে রাখাই ভালো।শীতে শিশুর জন্য বিপজ্জনক ৫ খাবার

মাংসের মধ্যে থাকা প্রাণীজ প্রোটিন মিউকাস ঘন করে। যা থেকে শিশুদের গলায় সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে প্রক্রিয়াজাত মাংস এবং ডিম থেকে যতটা সম্ভব দূরে রাখুন শিশুকে। এ সময় শিশুদের প্রাণীজ প্রোটিন খাওয়াতে চাইলে মাছের ওপর ভরসা রাখুন।

 তৈলাক্ত খাবার এমনিতেই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এমন খাবারের মধ্যে থাকে ফ্যাট, কোলেস্টেরল, ক্যালোরি। যেগুলো দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। শিশুদের শীতকালে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, চিকেন ফ্রাই, ফ্রায়েড চিজ, পটেটো চিপসের মতো খাবার থেকে দূরে রাখুন।

মৌসুমি সবজি বা ফল নয় এমন খাবার শিশুকে দেবেন না। কারণ মৌসুম ছাড়াও যেসব ফল বা সবজি বাজারে পাওয়া যায় সেগুলোতে রাসায়নিকের ব্যবহার থাকতে পারে। এজন্য শিশুকে সবসময় টাটকা ও মৌসুমি ফল বা সবজি খাওয়াতে হবে।

শীতের আগমনী বার্তা এখন প্রকৃতি জুড়ে। এ সময় প্রতিদিন শিশুকে গোসল করানো যাবে? কিংবা কীভাবে শীতে শিশুকে সুস্থ রাখতে হবে? শিশুর যত্নআত্তি নিয়ে এমন সব প্রশ্ন এখন বাবা-মায়ের মনে। বিআরবি হাসপাতালের ডা. রুমানা স্বাতী জানান, শীতে শিশুদের নিউমোনিয়া হওয়ার ভয় থাকে বেশি। আবহাওয়া শুকনো ও বাতাসে ধূলা বেশি থাকে বলে দেখা দেয় সংক্রামক অনেক রোগ। শিশুর জন্য শীতের বিভিন্ন টিপস দিয়েছেন তিনি। 

  • শীতকালে অনেকেই নবজাতক বা এক বছরের কম বয়সী শিশুদের নিয়মিত গোসল করানো থেকে বিরত থাকে। শিশুদের প্রতিদিন হালকা কুসুম পানি দিয়ে গোসল করাতে হবে। গোসল শেষে শুকনো কাপড় দিয়ে শরীর ভালোভাবে মুছে দিতে হবে। খেয়াল রাখবেন যেন শিশুর চুল ভেজা না থাকে। শিশুর যদি সর্দি-কাশি থাকে তবে কুসুম গরম পানি দিয়ে গা মুছে দেবেন।
  • শীতকালে শিশুদের ভারী কাপড় পরিয়ে রাখলে খেয়াল রাখুন সে ঘেমে যাচ্ছে কিনা। অযথা ভারী কাপড় পরিয়ে রাখবেন না।
  • চেষ্টা করুন সকালের রোদের শিশুকে কিছুক্ষণ রাখতে।
  • অতিরিক্ত তেল দিয়ে শিশুদের তেলতেলে করবেন না। গোসলের আগে হালকা কোনও বেবি অয়েল বা অলিভ অয়েল মেখে দিতে পারেন। চাইলে সরিষার তেলও লাগানো যায়, তবে তা যেন অতিরিক্ত না হয়
  • শিশুদের গায়ে বা মুখে সরাসরি ঠান্ডা বাতাস যেন না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
  • বড় কেউ জ্বর-সর্দিতে আক্রান্ত হলে তাদের কাছ থেকে শিশুদের দূরে রাখুন।
  • হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে শিশুদের হাতমুখ ধোয়ার অভ্যাস করানো উচিত। তাছাড়া কুসুম গরম পানি পান করলেও বেশ উপকার পাওয়া যাবে।
  • শীতকালে শিশুদের কোমল ত্বক খসখসে হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে বেবি লোশন, বেবি অয়েল, গ্লিসারিন ব্যবহার করতে পারেন।
  • করোনা যেহেতু এখনও পুরোপুরি যায়নি। বরং নতুন ভ্যারিয়েন্টের কথা শোনা যাচ্ছে, তাই শিশুরা স্কুলে গেলে অবশ্যই যেন মাস্ক পরে। তাছাড়া শীতে ধুলো বেশি থাকে পথে। মাস্ক পরলে সেটা থেকেও সুরক্ষা পাবে ওরা।
  • শিশুর বয়স ছয়মাসের বেশি হলে শীতের সবজি দিয়ে খিচুড়ি বানিয়ে খাওয়াতে পারেন। তাছাড়া ওই সবজি দিয়ে স্যুপ বানিয়ে খাওয়াতে পারলেও ভালো।
  • একদম ছোটদের রোগ প্রতিরোগ ক্ষমতা কম থাকে। তাই তাদের এখন জনবহুল স্থানে না নেওয়াই ভালো।

Leave a Reply

Your email address will not be published.