ফ্রিল্যান্সিং

সাইটে ভিজিটর কিভাবে নিয়ে আসা যায়/razuaman.com

আসসালামু আলাইকুম সম্মানিত সাইট ভিজিটর ভাইরা আশা করি সবাই ভাল আছেন আমিও ভালো আছি আপনাদের দোয়ায় । আজকে আমি সাইটে কিভাবে ভিজিটর বাড়াতে হয় সেই ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা করব । কিন্তু অনেক সময় ঘাবড়ে যাই ,সাইটে ভিজিটর ধরে রাখতে পারি না ।আমরা কিছু নিয়ম মেনে চললে সাইটে ভিজিটর বাড়বে আশা করি আপনারা এই পোস্টটি ফলো করলে আপনার সাইটে ভিজিটর বাড়াতে পারবেন ।

সোশ্যাল মিডিয়া

একটি ওয়েবসাইট যখন নতুন তখন সে ওয়েবসাইট সম্পর্কে কেউ জানে না। তাই আপনার ওয়েবসাইটের টার্গেট ভিজিটরদের কাছে পৌছানোর সব থেকে সহজ এবং কার্যকরী উপায় হতে পারে সোশ্যাল মিডিয়া।
এক্ষেত্রে আপনি যদি ফেসবুক, ইউটিউব, ইন্সটাগ্রাম, টুইটার, স্নাপচ্যাট, রেডিট সম্পর্কে ভালো ধারনা রাখেন তাহলে খুব সহজেই আপনি আপনার ওয়েবসাইটের জন্য এইসব সোশ্যাল মিডিয়া সাইট থেকে ভিজিটর ডাইভার্ট করে আপনার ওয়েবসাইটে নিতে পারেন।

বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়া কোনো ওয়েবসাইটই খুব ভালো পজিশনে যেতে পারে না। একজন টিনেজার দিনের মধ্যে ৯ ঘন্টা সময় সোশ্যাল মিডিয়াতে স্পেন্ড করে। যেখানে একজন পূর্ন বয়স্ক মানুষ দিনে ইউটিউবে ৪০মিনিট, ফেসবুকে ৩৫ মিনিট, স্নাপচ্যাটে ২৫মিনিট, ইন্সটাগ্রামে ১৫ মিনিট এবং টুইটারে ১ মিনিট সময় ব্যায় করে। এ থেকে বুঝে নেয়া যেতে পরে সোশ্যাল মিডিয়াগুলো ওয়েবসাইটের ভিজিটর বাড়ানোর জন্য কতোটা গুরুত্বপূর্ন।

সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন

নতুন কিংবা পুরনো যেকোনো ধরনের ওয়েবসাইটেই ভিজিটর বাড়ানোর অন্যতম প্রধান একটি উপায় হতে পারে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (SEO)। সার্চইন্জিন গুলোতে আমরা বিভিন্ন কী-ওয়ার্ড লিখে সার্চ করি, সার্চ রেজাল্টে প্রথমে যে ওয়েবসাইট গুলো আসে সেখান থেকে প্রথম ২-৩ টা ওয়েবসাইট ই আমরা সাধারনত ভিজিট করে থাকি।

সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) এর মূল কাজই হলো ওয়েবসাইটকে সার্চ রেজাল্টের উপরে তুলে আনা। তবে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) এর ব্যাপ্তি অনেক বড়, এটি শুরু করার আগে অনপেজ, অফপেজ, টাইটেল এবং ইমেজ অপটিাইজেশন, কীওয়ার্ড রিসার্চ, ব্যাকলিংক এই ব্যাপার গুলো সম্পর্কে পরিপূর্ন ধারনা থাকা প্রয়োজন।

ফোরম পোষ্টিং / প্রশ্ন-উত্তর সাইট

ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনার অরেকটি চমৎকার উপায় হলো ফোরাম পোষ্টিং এবং প্রশ্ন-উত্তর সাইট। ফোরাম এবং প্রশ্ন-উত্তর সাইটগুলোতে মানুষ বিভিন্ন ব্যাপারে জানতে চেয়ে পোষ্ট করে। সেখানে ভিজিটর যে বিষয়ে জানতে চায় সে সম্পর্কে কিছু ইনফরমেশন দিয়ে আপনার ওয়েবসাইটের লিংক দিয়ে দিলে ওই সাইট গুলো থেকে ট্রাফিক আপনার সাইটে যাবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে ফোরাম সাইট কিংবা প্রশ্ন-উত্তর সাইট গুলোতে উত্তর দেয়ার সময় সেটা যেনো সঠিক নিয়মে করা হয়। অনেক ফোরাম সাইট আছে যেগুলো অন্য ওয়েবসাইটের লিংক শেয়ার করা পছন্দ করে না। তো এসকল সাইটে কাজ শুরু করার আগেই আপনাকে এদের নিয়মগুলি ভালো ভাবে দেখে নিতে হবে।

ভিডিও মার্কেটিং

ভিডিও মার্কেটিং হতে পারে ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনার আরেকটি মাধ্যম। ভিডিও শেয়ারিং ওয়বেসোইট গুলোতে নিশ রিলেটেড ভিডিও পোষ্ট করে ডিসক্রিপশনে ওয়েবসাইটের লিংক শেয়ার করলে ওই ভিডিও থেকে ভিজিটরকে নিজের ওয়বেসোইটে পাঠিয়ে ওয়েবসাইটের ভিজিটর বাড়ানো যেতে পারে।
ব্লগ কমেন্ট
ওয়েবসাইটে ভিজিটর অনার আরেকটি অণ্যতম পদ্ধতি হতে পারে ব্লগ কমেন্ট। নিশ রিলেটেড ব্লগ গুলো খুজে বের করে কমেন্ট অপশনে কমেন্ট করে সাইটের লিংক হাইপার লিংক করে দিতে হয়। এর ফলে সেই লিংকের মাধ্যমে ওই ব্লগের ভিজিটর রা আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করবে।

এটি সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) এর ভাষায় বলাহয় ব্যাক লিংক। এর ফলে সাইটে যেমন ভিজিটর আসে তেমনি গুগল সার্চ রেজাল্টেও সাইট উপরের দিকে চলে আসে। তবে ব্লগ কমেন্ট বা ব্যাংকলিংক ক্রিয়েট করার সময় খেয়াল রাখতে হবে যে সাইট থেকে আমরা ব্যাকলিংক নিচ্ছি সেটা যেনো অবশ্যই নিশ রিলেটেড হয়। তা না হলে গুগস সেই ব্যাক লিংককে ভ্যালু দিবে না।

উপরের আলোচনার মাধ্যমে আমরা এতক্ষন ওয়বসাইটে কিভাবে ভিজিটর আনা যায় সে ব্যাপারে ধারনা পেলাম। তবে মূল কাজটা কিন্তু এখানেই শেষ না। বরং মূল কাজটা মাত্র শুরু। কারন একটা ওয়েবসাইটে শুধু ভিজিটর আনলেই হবে না। সেই ভিজিটরকে অবশ্যই ধরে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। এর বাইরে দেখাযায় অনেক ভিজিটর ওয়েবসাইট লোড হওয়ার পরপর ই ভিজিটর সাইট টি বন্ধ করে দেন। এটা যেকোনো ওয়েবসাইটের জন্য খুবই খারাপ লক্ষন। ওর ফলে ওয়েবসাইটের বাউন্স রেট বেড়ে যায়।
বাউন্স রেট কি?
আমরা দেখি বাউন্স রেট সব সময় % হিসেবে প্রকাশ করা হয়। বাউন্স রেট হলো এমন একটা % যেটা দ্বারা বোঝানো হয় “আপনার ওয়েসাইটে আসার পর মোট ভিজিটরের কতো % অন্য কোনো পেজ ভিজিট না করেই বন্ধ করে দিয়েছে” অর্থা যদি আপনার ওয়েবসাইটের মোট ভিজিটর যদি হয় ১০০০ জন তার মধ্যে ৬০০ জন্যই আপনার হোম পেজ লোড হওয়ার পর অণ্য কোনো পেজ ভিজিট না করেই আপনার ওয়েবসাইট টি বন্ধ করে দেয় তবে আপনার ওয়েবসাইটের বাউন্সরেট হবে ৬০%।
প্রশ্ন আসতে পারে ওয়বেসাইটের বাউন্স রেট এর স্টান্ডার্ড এমাইন্ট কতো। অনলাইন ইন্ডাস্ট্রিতে নিচের বাউন্স রেটের % কে স্টান্ডার্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

বাউন্স রেট
স্টান্ডার্ড
৩০% এর কম
খুব ভালো
৪১% – ৫৫%
ভালো
৫৬% – ৭০%
খুব ভালো নয়
৭০% এর বেশী
খুব খারাপ
এবার আমরা বুঝতে পারলাম একজন ভিজিটরকে শুধু ওয়েবসাইটে নিয়ে আসলেই হবে না। তাকে ওযেবসাইটের অন্যান্ন পেজগুলোতে নিয়ে যাওয়ার মতো কন্টেন্ট ওয়েবসাইটে রাখতে হবে।
চলুন এখন জেনে নেই ওয়েবসাইটের বাউন্স রেট কিভাবে বাড়ে। অর্থাৎ কেনো একজন ভিজিটর আপনার ওয়বেসোইট টি ভিজিট করার পর হোমপেজ থেকে অন্য কোনো পেজ ভিজিট না করেই চলে যান।

চাহিদা পূরণ না হওয়া

এটা খুবই গুরুত্বপূর্ন একটা ব্যাপার যে, আপনার ধারনা থাকতে হবে একজন ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইট থেকে কি ধরনের কন্টেন্ট এক্সপেক্ট করতে পারে। অপনার অবশ্যই উচিত হবে সেই ধরনের কান্টেন্ট ই ওয়েবসইটে রাখা। ধরা যাক একজন ভিজিটর একটা বই কিনতে একটা ওয়েবসাইটে ঢুকলেন। কিন্তু তিনি যে সাইট টা ভিজিট করছেন সেটা একটি বই রিভিউ এর সাইট। এখানে ভিজিটরের এক্সপেক্টেশন ফুলফিল না হওয়ার কারনে ভিজিটর সাথে সাথে সেই ওয়েবসাইট টি বন্ধ করে দিবে।

কিভাবে কি করতে হবে বুঝতে না পারা

অনেকসময় ওয়েবসইট কে ডায়নামিক করতে গিয়ে আমরা সাইটের লুক ই চেন্জ করে দেই। এর ফলে ভিজিটর বিরক্ত হন এবং সাইট ভিজিট করা বন্ধ করে দেন।এক্সেত্রে ওয়বেসোইট বানানোর আগেই ওয়েবসাইটের কালার এবং থিম নির্বাচনের ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়া উচিত। মূলকথা সাইটের ভিজিটর ই একটা সাইটের প্রান। তাই ওয়েবসাইট বানানোর আগে ইউজার এক্সপেরিয়েন্স সম্পর্কে ভালো ধারনা থাকা প্রয়োজন।

আমরা বুঝলাম যে ওয়েবসাইটে শুধু ভিজিটর আনাই প্রধান কাজ নয় বরং তার থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ন ওয়েবসাইটের ভিজিটরকে এংগেজ রাখা এবং ভিজিটর যে পরবর্তীতে আবার ওয়েবসাইট টি ভিজিট করে সে ব্যবস্থা গ্রহন করা। অর্থাৎ ভিজিটরকে এনশিওর করতে হবে যে, “তুমি যে ধরনের ওয়েবসাইট বা কন্টেন্ট খুজছো তার জন্য এই ওয়েবসাইট টাই পারফেক্ট” এবার চলুন জেনে নেই ওয়েবসাইটে ভিজিটর ধরে রাখার কয়েকটি উপায়।

ওয়েবসাইটে ভিজিটর ধরে রাখার ৮টি উপায়

১. ইউনিক এবং ইনফরমেটিভ কন্টেন্ট পোষ্ট করা
কন্টেন্টের ব্যাপারে একটা ব্যাপার আমরা সবাই জানি। তা হলো “Content Is King” যেকোন ধরনের ওয়েবসাইট ই হোক না কেনো কন্টেন্ট সবসময়ই গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে।কন্টেন্ট লেখা এবং সাইটে পাবলিশ করার আগে খেয়াল রাখতে লেখাটি ইউনিক এবং ইনফরমেটিভ কিনা। কন্টেন্ট ইউনিক এবং ইনফরমেটিভ হলে ভিজিটর সেই সাইটে বেশি এংগেজ থাকে।
২. আকর্ষনীয় ছবি
ফটো / ইমেজ যেকোনো ওয়েবসাইটের ভিজিটর বাড়াতে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে থাকে।সোশ্যাল মিডিয়া এবং অন্যন্ন প্লাটফর্মে একটি সুন্দর আইক্যাচি ফটোর সাথে ওয়েবসাইটের লিংক দেয়া থাকলে নরমাল যেকেনো সময়ের থেকে ওয়েবসাইট বেশি ভিজিটর পেয়ে থাকে।
৩. ওয়েসবাইট দ্রুত লোড নেয়া
একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে একজন ভিজিটর একটি ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য নরমালি ৩সেকেন্ড সময় নেন। অর্থাৎ যদি ৩ সেকেন্ডের মধ্যে কোনো সাইট লোড না নেয় তবে ভিজিটর বিরক্ত হয় এবং সাইট ভিজিট করা থেকে বিরত থাকেন । তাই বোঝাই যাচ্ছে ভিজিটর বাড়ানো জন্য ওয়েবসাইট স্পিড গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে থাকে। ওয়েবসাইটের স্পিড কিভাবে বাড়ানো যায় এ ব্যপাারে এই আর্টিকেল টি পড়তে পারেন।
৪. রেসপন্সিভ বা ইউজার ফ্রেন্ডলি সাইট ডিজাইন
পিসি, ল্যাপটপ, ফোন, ট্যাবলেট সবকিছুর স্ক্রিন একই রকম না, রেসপন্সিভ বলতে বুঝানো হয়েছে যে সাইট গুলো পিসি, ল্যাপটপ, ফোন, ট্যাবলেট সবকিছুতেই সমান ভাবে লোড নিতে পারে এবং ডাটা রিসিভ করতে কোনো সমস্যা হয় না। ওয়েবসাইট বানানোর আগে খেয়াল করতে হবে সাইট টি রেসপন্সিভ কিনা।
৫. সাইটে কমেন্ট করার অপশন রাখা এবং দ্রুত রিপ্লাই দেয়া
কমেন্ট সেকশনে এংগেজ থাকলে ওয়েবসাইটের রেগুরার ভিজিটরের সংখ্যা কয়েকগুন বেড়ে যায়।এজন্য সাইটের কন্টেন্ট অপশনের কমেন্ট সেকশন টা চালু করে দিতে হবে। এর ফলে যা হবে ভিজিটর রা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন করে থাকে। এই প্রশ্নগুলোর উত্তর যখন সাইটের অথরের কাছে যায় তখন তিনি রিপলে দেন। এর ফলে কোয়েশ্চেনকারীর মেইলে একটা ইমেইল যায়। যারফলে কোয়েশ্চেনকারী অথরের রিপলে পড়ার জন্য হলেও আবার ওয়েবসাইট টি আরেকবার ভিজিট করে।
৬. ডাটা এনালাইসিস করা
ওয়েবসাইট অথরিটিদের একটি গুরুত্বপূর্ন কাজ হলে ডাটা এনালাইসিস কর। এর থেকে বোঝা যায় কোন বয়স এবং কারা কিংবা কোন তারিখ বা সময়ে ভিজিটর বেশি থাকে। সেই অনুযায়ী ডাটা এনালাইসিস করে পরবর্তী পোষ্ট গুলোতে এটা ইমপ্লিমেন্ট করলে ভিজিটর সংখ্যা অবশ্যই বাড়বে। এর জন্য আপনি চাইলে গুগল এ্যানালাইটিকস ব্যবহার করতে পারেন।
৭. সোশ্যাল মিডিয়াতে একটিভ থাকা
আরেকটি গুরুত্বপূর্ন কাজ হলো বিভিন্স সোশ্যাল মিডিয়াতে একটভি থাকা। এর ফলে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ভিজিটর আসার চান্স বেড়ে যায়।
৮. হাইপার লিংক / ইন্টানাল লিংক বৃদ্ধি করা
যেকোনো পোষ্টে হাইপার লিংক / ইন্টারর্নাল লিংক যেকোনো একটি খুবই গুরুত্বপূর্ন।মনেকরা যাক আপনি একটা আর্টিকেল লিখছেন থাইল্যান্ড এর জনপ্রিয় যায়গা গুলো নিয়ে। কিন্তু আপনি এর আগেই থাইল্যান্ড এর স্ট্রিট ফুড নিয়েএকটি আর্টিকেল লিখেছেন। আপনি চাইলে আপনি আপনার মেইন আর্টিকেল এর সাথ স্ট্রিট ফুড এর টাইটেলটি ট্যাগ করে দিতে পারেন। এরফলে যা হবে মেইন কন্টেন্ট এর জন্য আপনি তো ভিজিটর পাচ্ছেন ই এর পাশাপাশি ইন্টার্নাল লিংক করা পেজটি ভিজিট করার একটা চান্স থাকবে।

ধন্যবাদ সবাইকে আশাকরি এই আর্টকেল টি পড়ে কিভাবে ওয়েবসাইটের ভিজিটর বাড়ানো এবং কিভাবে সেই ভিজিটরে ধরে রাখা যায় সে ব্যাপার গুরুত্বপূর্ন কিছু ধারনা পেয়ছেন। কয়কেদিন পর আমরা আবার নতুন কোনো আর্টকেল নিয়ে হাজির হবো।

দয়াকরে আর্টিকেলটি সবার সাথে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.